ক্যাটাগরি

মেসি-ডি ইয়ংয়ের গোলে শেষ আটে বার্সা

প্রতিপক্ষের মাঠে বুধবার রাতে শেষ ষোলোর ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা।
ফ্রান গার্সিয়ার গোলে রেকর্ড চ্যাম্পিয়নরা পিছিয়ে পড়ার খানিক পরেই সমতা টানেন মেসি।
পরে তাদের জয়সূচক গোলটি করেন ফ্রেংকি ডি ইয়ং।  

ম্যাচের প্রায় ৭০ শতাংশ সময় বল দখলে রাখার পাশাপাশি আক্রমণেও আধিপত্য করা
বার্সেলোনা ২০তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো। কিন্তু ডি ইয়ংয়ের শট ক্রসবারে লাগে। দুই
ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা মেসির পরক্ষণে নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক দিমিত্রেইভস্কি।

৩৫তম মিনিটে দারুণ এক পাল্টা আক্রমণে ত্রিনকাওয়ের শটও ঝাঁপিয়ে ঠেকান দিমিত্রেইভস্কি।
আলগা বল ধরে রিকি পুসের পাল্টা শট একজনের গায়ে লেগে দিক পাল্টে বাধা পায় পোস্টে। পরের
মিনিটে অঁতোয়ান গ্রিজমানের শটও ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে ফেরান নর্থ মেসিডোনিয়ার গোলরক্ষক।

দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে আবারও ভাগ্যের ফেরে গোল না পাওয়ার হতাশা যোগ
হয় বার্সেলোনা শিবিরে। এবার মেসির ডান দিক থেকে নেওয়া ফ্রি কিক ক্রসবারে লেগে ফেরে।

৬১তম মিনিটে আচমকা ওঠা আক্রমণে ভীতি ছড়ায় স্বাগতিকরা। তবে ফ্রান গার্সিয়ার
জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন বার্সেলোনার দ্বিতীয় পছন্দের গোলরক্ষক নেতো। খেলার ধারার বিপরীতে
এর দুই মিনিট পর এগিয়ে যায় ভাইয়েকানো।

গতি ও বুদ্ধিমত্তায় ক্লেমোঁ লংলেকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে
দুরূহ কোণ থেকে শট নেন আলভারো গার্সিয়া। নেতো ঝাঁপিয়ে বলে হাত ছোঁয়ালেও বিপদমুক্ত করতে
পারেননি, আলগা বল গোলমুখ থেকে জালে ঠেলে দেন ফ্রান গার্সিয়া।

ছয় মিনিট পরেই সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের থ্রু পাস অফসাইডের
ফাঁদ ভেঙে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন গ্রিজমান। তাকে বাধা দিতে এগিয়ে যান
গোলরক্ষক, সুযোগ বুঝে ডানে বল বাড়ান ফরাসি ফরোয়ার্ড। অনায়াসে ফাঁকা জালে বল ঠেলে দেন
মেসি।

গোছালো  আক্রমণে ৮০তম মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। মেসির ডি-বক্সে উঁচু
করে বাড়ানো বল ধরে ছয় গজ বক্সের মুখে বাড়ান জর্দি আলবা। সময়মতো সেখানে ছুটে যাওয়া ডি
ইয়ং অনায়াসে ডান পায়ের টোকায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।  

যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো। সতীর্থের পাস ডি-বক্সে
পেয়ে একটু এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে কাটান মেসি, কিন্তু শট না নিয়ে ছোট ছোট পায়ে এগিয়ে
আরেকজনকে কাটিয়ে কাছ থেকে তার নেওয়া শট লাগে পোস্টে।

অবশ্য ব্যবধান না বাড়লেও কঠিন লড়াইয়ের পর জয়ের আনন্দ তাতে কমেনি একটুও।