বৃহস্পতিবার
বিকালে নগরীর জিইসি মোড়ের দুটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে আহত ১২ জনের সঙ্গে দেখা
করেন তিনি।
চট্টগ্রাম-৯
আসনের সাংসদ নওফেল নির্বাচনী সহিংসতায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের
নেতাকর্মীদের আহত হওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করেন।
তিনি
বলেন, “বিএনপি-জামায়াত পরিকল্পিতভাবে আমাদের নেতাকর্মীদের উপরে নৃশংস হামলা
চালিয়েছে। এই বিশেষ গোষ্ঠী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা নেমেছিল।
“চট্টগ্রামের
সর্বস্তরের জণগণ ভোটের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের
প্রতিবাদ জানিয়েছে।”
হামলায়
জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে তিনি প্রশাসনের
প্রতি আহ্বান জানান।
ওই
দুই বেসরকারি হাসপাতালে মোহরা, পাহাড়তলী ও লালখান বাজার এই তিন ওয়ার্ডের মোট ১২ জন
আহত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী চিকিৎসা নিচ্ছে।
বুধবার
ভোটে নগরীর পাহাড়তলী, লালখান বাজার, পাথরঘাটা, উত্তর পাহাড়তলি, মোহরা, পাঁচলাইশসহ
বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
এরমধ্যে
পাহাড়তলীতে আওয়ামী লীগ ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরোধে গুলিতে একজন নিহত হয়, আহত
হয় ছয়জন। লালখান বাজার ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ, বিদ্রোহী ও বিএনপি প্রার্থীর
অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২১ জন আহত হয়।
পাথরঘাটা
ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর বিএনপি
সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীকে আটক করে পুলিশ।
উত্তর
পাহাড়তলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত, বিদ্রোহী এবং পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয় দফায়
দফায়।
হাসপাতালে
পরিদর্শনের সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেলের সঙ্গে ছিলেন ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের
নবনির্বাচিত কাউন্সিলর মো. ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ডের
নবনির্বাচিত কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মো. বেলাল এবং আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা
হাবিবুর রহমান তারেক।