ভোটগ্রহণ
এবং ফল প্রকাশের পরদিন বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি
করেন।
বুধবার
অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনে ২২ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছিলেন। তাতে ৩ লাখ ভোটের ব্যবধানে
জয়ী হন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী।
শাহাদাত
বলেন, “মামলা-হামলা, সন্ত্রাসীদের হুমকি ধমকি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সীমাহীন হয়রানি,
পথে পথে বাধা-নির্যাতন, শত প্রতিকূলতার পরও চট্টগ্রামের জনগণ আমার তথা বিএনপির
পক্ষে তাদের সমর্থন অব্যাহত রেখেছিল। এ কারণে ভয় পেয়ে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে
দেয়নি আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।
“অথচ
ন্যূনতম সুষ্ঠু নির্বাচন হলেই, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারলেই জনগণ আওয়ামী লীগ
আর প্রশাসনের সকল চক্রান্ত ভণ্ডুল করে দিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে আমাকেই
নির্বাচিত করত।”
সিসিসি ভোট: সংঘর্ষে প্রাণহানি; এজেন্ট নেই, ভোটারও কম
ভোটই তো হয়নি, প্রতিক্রিয়া আমীর খসরুর
‘ভোট ডাকাতির’ মুখোশ উন্মোচনে শেষ পর্যন্ত থাকব: শাহাদাত
নগরবাসীকে
ধন্যবাদ দিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী শাহাদাত বলেন, “অনেক এলাকায় জনতা ভোট ডাকাতির
বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, সাধ্যমতো প্রতিবাদ করেছে। চট্টগ্রামের বীর জনতাকেও
আমি হৃদয় থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
“চট্টগ্রাম
সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে বিএনপি থেকে আমাকে প্রার্থী ঘোষণার পর আমার প্রতি
প্রাণপ্রিয় সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের যে সমর্থন ও ভালোবাসা আমি পেয়েছি,
তাতে আমি অভিভূত।”
গণমাধ্যমকর্মীদেরও
ধন্যবাদ জানান বিএনপির মেয়রপ্রার্থী।
ভোটের
পর রাজনীতির মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়ে শাহাদাত বলেন, “দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই,
তৃণমূল থেকে উঠে আজকের এ অবস্থানে এসেছি। আমার সঙ্গে চট্টগ্রামের জনগণের নাড়ির
সম্পর্ক। মামলা-হামলা, নির্যাতন, নির্বাচনে জোর করে পরাজিত করে আমাকে দমানো যাবে
না।”