বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা জজ আদালত দু’টি মামলায় সাহেদকে আসামি
করে অভিযোগ গঠন করে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জজ আদালতের পিপি আব্দুল লতিফ।
“আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি শুনানির দিন ঠিক করেছে আদালত।”
এর আগে গত বুধবার সাহেদকে জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমানের আদালতে আনা
হলে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু বক্কর সিদ্দিকী সময় প্রার্থনা করেন। এর প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার
ফের সাহেদকে আদালতে নিয়ে আসা হয়।
এরপর তাকে সাতক্ষীরা কারাগারে নেওয়া হয়েছে বলেন তিনি।
মহামারীর মধ্যে করোনাভাইরাস পরীক্ষা নিয়ে
প্রতারণা আর জালিয়াতির মামলার পর পলাতক রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ
সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি
বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতেও অংশ নিতেন।
পিপি আব্দুল লতিফ বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা জজ আদালতে সাহেদ
টক-শোর ভঙ্গিতে নানা ঘটনার অবতারণা করলে আদালতের সরকারি কৌঁসুলিরা আপত্তি তোলেন।
এছাড়া অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু বক্কর
সিদ্দিকীর তোলা আপত্তি আদালত খারিজ করে দেয় বলে জানান তিনি।
২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর
এলাকা দিয়ে ‘ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে’ কোমরপুর বেইলি ব্রিজের নিচ থেকে র্যাব-৬
এর সদস্যরা তাকে প্রথমে আটক করে।
এ সময় তার কাছে থাকা একটি অবৈধ পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ২৩৩০ ভারতীয়
রুপি, ৩টি ব্যাংকের এটিএম কার্ড এবং মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় র্যাবের ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা
আইনে দেবহাটা থানায় সাহেদ করিম এবং জনৈক বাচ্চু মাঝিকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
পরে ওই মামলায় বাচ্চু মাঝির নাম বাদ দিয়ে সাহেদকে এককভাবে আসামি করা
হয়।