র্যাব-৩
এর নির্বাহী হাকিম পলাশ কুমার বসু বলেন, ভুক্তভোগীদের অভিযোগ পেয়ে রোববার বিকালে র্যাব
ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) আফতাব নগরে একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে
গ্রেপ্তার করে।
‘মাহিয়া
ফাউন্ডেশন’ নাম দিয়ে গত তিন মাস ধরে এনজিওর আদলে তারা কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।
পলাশ
বসু বলেন, “মাহিয়া ফাউন্ডেশন এনজিও না হলেও খুলনার একটি এনজিওর নম্বর জালিয়াতির মাধ্যমে
ব্যবহার করা হচ্ছিল।”
কক্সবাজারে
রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে কাজের জন্য ৫০০ জনকে চাকরি দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল
তারা।
র্যাবের
হাকিম বলেন, “ইতিমধ্যে শতাধিক চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে কোটি টাকার উপরে প্রতারণার
মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে। অভিযান চালিয়ে মোট ৭ হাজার আবেদন পাওয়া গেছে।
“তারা
এনজিও ব্যুরোর কাছে আবেদনও করেনি। কারণ তাদের উদ্দেশ্য ছিল চাকরি দেওয়ার নামে বড়
অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া।”
অভিযানে
মাহিয়া ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো. বাবুল আক্তার (৩৫), ভাইস-চেয়ারম্যান আহমদ
আলী (৫০), পরিচালক মো. মেহেদী হাসান (৫০), ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমান (৫৪), আবদুল্লাহ আল মামুন (৩১), আবদুল্লাহ আল মামুন (৩৩),
কম্পিউটার অপারেটর মেহেদী হাসান (২৬), গোলাম রায়হান (২৬), সুপার ভাইজার মনির উদ্দিন খালেক (৪৪) ও নিগার উম্মে
সালমাকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই
প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান সাবরিনা বারী পলাতক রয়েছে জানিয়ে পলাশ বসু বলেন, তাদের
সবার বিরুদ্ধে জালিয়াতি, প্রতারণা ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে থানায় নিয়মিত মামলা
হচ্ছে।