রোববার
আবেদনটি করা হয়েছে জানিয়ে সাঈদীর আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
ডটকমকে বলেন, অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল এবং অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে ওই আবেদনে।
“বিচারপতি
এম ইনায়েতুর রহিম ও মো.মোস্তাফিজুর
রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চে আবেদনটির শুনানি হতে পারে। তবে ওই বেঞ্চে আবেদনটি
এখনও উপস্থাপন করা হয়নি।”
ইসলামিক
ফাউন্ডেশনের জাকাত তহবিলের অর্থ আত্মসাতের মামলায় গত ১১ জানুয়ারি
অভিযোগ গঠন করে জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।
ওই
আদালতের বিচারক বিচারক সৈয়দা হোসনে আরা আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ
রেখেছেন।
মামলার
অন্য আসামিরা হলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ লুৎফুল হক, মসজিদ কাউন্সিল ফর কমিউনিটি অ্যাডভান্সমেন্টের
সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইসলামী সমাজকল্যাণ কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন ও ইফার মসজিদ
কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল হক, বন্ধুজন পরিষদের প্রধান সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস।
২০১০
সালের ২৪ মে ইসলামিক
ফাউন্ডেশনের তৎকালীন পরিচালক আইয়ুব আলী চৌধুরী শেরেবাংলা নগর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
আসামিদের বিরুদ্ধে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের
জাকাত তহবিলের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয় সেখানে।
তদন্ত
শেষে ২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল আসামিদের
বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী।
যুদ্ধাপরাধ
ট্রাইব্যুনালে প্রথম অভিযুক্ত ব্যক্তি হিসাবে জামায়াতের নায়েবে আমির সাঈদীর বিচার শুরু হয়েছিল ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর। ৮০
বছর বয়সী সাঈদী তার আগে থেকে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, নির্যাতন ও ধর্মান্তরে বাধ্য
করার মত মানবতাবিরোধী অপরাধের
দায়ে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীর
মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়।
সাঈদী
আপিল করলে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আপিল
বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় দেয়। তাতে সাজা কমে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ আসে। ওই রায় পুনর্বিবেচনার
আবেদন হলেও তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
২
কোটি ২৭ লাখ ৪০
হাজার ১২০ টাকা আয় গোপন করে
তার উপর প্রযোজ্য ৫৬ লাখ ৪৬
হাজার ৮১২ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগে
আরেকটি মামলা রয়েছে সাঈদীর বিরুদ্ধে।