ক্যাটাগরি

ডমিঙ্গোর চ্যালেঞ্জ জিতে টেস্টের বিবেচনায় মুস্তাফিজ

মুস্তাফিজ সবশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০১৯ সালের মার্চে নিউ জিল্যান্ড সফরে। এরপর নানা সময়ে স্কোয়াডে থাকলেও খেলার সুযোগ
পাননি। গত বছরের
ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সফরের দল থেকে তাকে
বাদ দেওয়ার পর কোচ বলেছিলেন, টেস্ট খেলতে হলে স্কিলের উন্নতি করতে হবে মুস্তাফিজকে।

পরে ওই মাসেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টের স্কোয়াডে মুস্তাফিজকে নেওয়া হয়। কিন্তু কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাকে দলে নেওয়ার কারণ স্রেফ
বোলিং নিয়ে কাজ করা, খেলানোর জন্য
নয়। ডানহাতি ব্যাটসম্যানের জন্য
বল ভেতরে ঢোকানো শিখতে না পারলে
টেস্টের জন্য মুস্তাফিজ প্রস্তুত হবেন না বলেও জানিয়ে দেন ডমিঙ্গো।

এরপর বোলিং কোচের সঙ্গে
নিবিড়ভাবে কাজে লেগে
যান মুস্তাফিজ। কোভিডের প্রকোপে বিরতি পড়লেও মাঠে
ফেরার পর আবার
চলতে থাকে নিজেকে শাণিত করার লড়াই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সদ্য
সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে মুস্তাফিজ দেখিয়ে দেন,
বহুকাঙ্ক্ষিত সেই ডেলিভারি অবশেষে তিনি করতে
পারছেন। শতভাগ কার্যকর না হলেও রপ্ত
করতে শুরু করেছেন।

মুস্তাফিজের এই উন্নতিই মন জয় করেছে ডমিঙ্গোর। চট্টগ্রামে দলের
অনুশীলন শেষে সোমবার কোচ বললেন, টেস্টে এই বাঁহাতি পেসারের কাছ থেকে এখন অনেক কিছু পেতে
পারে দল।

“বেশ কয়েক মাস আগে আমি মনে হয় বলেছিলাম যে, ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের জন্য বল ভেতরে আনতে না পারলে মুস্তাফিজ টেস্টে ভুগবে। গত ৮-৯ মাসে সে আমাদের বোলিং কোচের
সঙ্গে অনেক কাজ করেছে ও কঠোর
পরিশ্রম করেছে শেপ পেতে। সাদা বলে তার পারফম্যান্স দেখেই নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে সে এটি করতে পারছে। এখনও শতভাগ
ধারাবাহিক নয়, তবে তার শেপ পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি হয়েছে।”

“সে অভিজ্ঞ ও দারুণ একজন পারফর্মার। বাঁহাতি পেসার
যেহেতু, বৈচিত্রও যোগ করে দলে। ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের জন্য
সে অফ স্টাম্পের বাইরে কিছু ক্ষত
সৃষ্টি করতে পারে,
যা আমাদের অফ স্পিনারদের কাজে লাগতে
পারে। অবশ্যই এই টেস্টের জন্য ভালো
একজন বিকল্প সে।”

শুধু এই টেস্ট বা এই সিরিজই নয়, সামনে তাকিয়েও টেস্টে মুস্তাফিজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেখছেন কোচ।

“খুব ভালো অনুশীলন করেছে সে। দারুণ ফিট এখন। তার প্রাণশক্তি দারুণ। স্কিলে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। গত কয়েক
মাসের উন্নতির পর, ভবিষ্যতের জন্যও আমাদের টেস্ট দলের অংশ হিসেবে তাকে দেখছি
নিশ্চিতভাবেই।”