ইসরায়েলের সঙ্গে চারটি আরব দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করায় তাদের ভূমিকার জন্য এ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ২৫ বছরে ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতের প্রেক্ষাপটে গতবছর অগাস্টের মধ্যভাগ এবং ডিসেম্বরের মধ্যভাগের মধ্যে চার মাসের ব্যবধানে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান এবং মরক্কোর সঙ্গে ইসরায়েলের শান্তিচুক্তির ঘোষণা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক দিক থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায় রচনা করেছে।
ওই সময় কুশনার এবং বারকোউইৎজ দুইজনই ছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপদেষ্টা। তাদেরকে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেন তাদেরই মিত্র অ্যাটর্নি অ্যালান ডার্শোউইৎজ। হার্ভার্ড ল’ স্কুলের প্রফেসর এমিরেটাস হওয়ায় তিনি এ মনোনায়ন দেওয়ার এখতিয়ার আছে তার।
নোবেল শান্তি পুরস্কার: মনোনীতদের মধ্যে নাভালনি, ডব্লিউএইচও, গ্রেটা
ট্রাম্পের প্রথম দফা অভিশংসনের সময় তার পক্ষে ছিলেন ডার্শোউইৎজ। আর এখন ট্রাম্প আর প্রেসিডেন্ট পদে নেই, তাই ফের ট্রাম্পের অভিশংসন বিচার করার প্রয়োজনও নেই বলে দাবি করেছেন তিনি।
গত বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারে মনোনীতদের তালিকায় নাম এসেছিল ট্রাম্পেরও। এবার মনোনয়ন পেলেন তার জামাতা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্ট সদস্য থেকে শুরু করে আগে এ পুরস্কারজয়ী ব্যক্তিসহ কয়েক হাজার মানুষ প্রতি বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য তাদের পছন্দের যে কারও নাম প্রস্তাব করতে পারেন; এক্ষেত্রে নোবেল কমিটির সমর্থন বা স্বীকৃতির প্রয়োজন পড়ে না।
২০২১ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকায় আরও যারা স্থান পেয়েছেন তারা হলেন, রাশিয়ার ভিন্নমতাবলম্বী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পাশপাশি জলবায়ু আন্দোলনের সুপরিচিত কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ।