ওই তরুণীর বাবা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে তার মেয়ের ছেলেবন্ধুর বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছেন।
রোববার সকাল ১১টার দিকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওই তরুণীর মৃত্যু হয়।
এ মাসের শুরুতে এই হাসপাতালে নেওয়ার পর মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ও লেভেলের এক ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল। কলাবাগানে বন্ধুর বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল ওই তরুণী।
ওই তরুণীর বন্ধু দাবি করেছিলেন, ‘পরস্পরের সম্মতিতে’ তারা দৈহিক সম্পর্কে গিয়েছিলেন, তখন রক্তক্ষরণ শুরু হয় ওই তরুণীর।
তবে মেয়েটির বাবা ধর্ষণ ও হত্যার মামলা করার পর ইফতেখার দিহান নামে ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঢাকায় বন্ধুর বাড়িতে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
‘অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে’ মেয়েটির মৃত্যু
মোহাম্মদপুরের ঘটনাটিও তেমনই বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গত শুক্রবার উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় ওই তরুণী ও তার বন্ধু রায়হান খাওয়া-দাওয়ার পর মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হোমস নামে আবাসিক এলাকায় তাদের বন্ধুর তাফসিরের বাসায় যায়। ওই দিনই সেখান থেকে অসুস্থ অবস্থায় ওই তরুণীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
ওসি বলেন, “দুজনে মদপান করে ওই বাসায় যাওয়ার পর ওই তরুণীর সঙ্গে তার বন্ধুর শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।”
এদিকে শনিবার ওই তরুণীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।
এরপর পুলিশ ওই তরুণীর বন্ধু মর্তুজা রায়হান চৌধুরী (২১) ও নুহাত আলম তাফসীর (২১)কে গ্রেপ্তার করে বলে জানান ওসি।
তিনি বলেন, “আজ আদালতে পাঠিয়ে তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা কী ঘটেছে, রিমান্ডে আনা তিনজনের কাছ থেকে তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
ওই তরুণী ও তার বন্ধুরা সবাই ইউ ল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে জানান ওসি।
আরও খবর
দিহানের ডিএনএ পরীক্ষায় আদালতের অনুমতি
কলাবাগানে কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যা: ‘দায় স্বীকার’ করে বন্ধুর জবানবন্দি