বর্তমান বিনিময় হার
(১ ডলারে ৮৫ টাকা) অনুযায়ী বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় চার হাজার ২৫০ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে সোমবার ভিডিও
কনফারেন্সে বিশ্ব ব্যাংক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মধ্যে একটি ঋণ চুক্তি
স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তিতে সরকারের পক্ষে
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতেমা ইয়াসমিন ও বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষে আবাসিক
প্রতিনিধি মার্সি মিয়াং টেম্বন ঋণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ইআরডি জানিয়েছে, ‘ওয়েস্টার্ন
ইকোনমিক করিডোর অ্যান্ড রিজিওনাল এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম’ শীর্ষক প্রকল্পে অর্থায়নের
জন্য এই ঋণ আনা হচ্ছে।
প্রকল্পটি গত ২ নভেম্বর
একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২৬ সালে এ প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
প্রকল্পটি নির্মাণাধীন
পদ্মা সেতুর মাধ্যমে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য
গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে বিশ্ব ব্যাংক
এবং বাংলাদেশ সরকার যৌথভাবে ২০২০-২০৩০ মেয়াদে একটি কর্মসূচি নিয়েছে।
ওই কর্মসূচির আওতায়
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল থেকে ভোমরা স্থল বন্দর পর্যন্ত
২৬০ কিলোমিটার মহাসড়ক সার্ভিস লেনসহ চার লেনে উন্নীত করা হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ
ওই অঞ্চলের কৃষি পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও গ্রোথ সেন্টার নির্মাণ
করবে। এছাড়াও বাজারগুলোর সংযোগ সড়ক ও নেটওয়ার্ক উন্নয়নে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
অনুষ্ঠানে ইআরডি সচিব
ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, এই প্রকল্প পরিবহন নেটওয়ার্কের উন্নতি করতে সহায়তা করবে। পশ্চিমাঞ্চলীয়
জেলাগুলোতে যাতায়াতের উন্নয়নে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে।
বিশ্ব ব্যাংক প্রতিনিধি
মার্সি টেম্বন বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিশেষ করে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের মাধ্যমে
কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য উন্নত সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে অল্প সময়েই বাজারজাতের
সুযোগ পাবে।