জেলার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঁঞা জানান, মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে হোমিও ওষুধ প্রস্তুতকারক একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ এই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত সোম ও মঙ্গলবার বগুড়ায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে; যারা হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান থেকে রেক্টিফায়েড স্পিরিট কিনে পান করেছিলেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
পুলিশ সুপার বলেন, “রেক্টিফায়েড স্পিরিটের সঙ্গে মিথানল মেশানোর পর তা খেয়ে ওই আটজনের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে।”
গ্রেপ্তারকৃতা হলেন- বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি এলাকার পারুল হোমিও ল্যাবরেটরিজের মালিক নূরুন্নবী ওরফে নূরনবী (৫৮), শহরের গালাপট্টি এলাকার মুন হোমিও হলের মালিক আব্দুল খালেক (৫৫), করতোয়া হোমিও হলের মালিক শহিদুল আলম সবুর (৫৫) ও হাসান হোমিও হলের একজন কর্মচারী।
সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিষাক্ত মদ উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। আদালত তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় সদর থানায় তিনটি হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকানের মালিকসহ ১৬ জনের নামে মামলা হয়েছে। পুলিশ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।
এদিকে দুই হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকানের মালিককে সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসনিমুজ্জামান বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি, লাইসেন্স না রাখা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকার কারণে মুন হোমিও হলকে দুই লাখ টাকা আর মাহি হোমিও হলক দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।