মিরপুর টেস্টের চতুর্থ
দিনে ২৩১ রানের জয়ের লক্ষ্যে ছুটে চা বিরতিতে বাংলাদেশর রান ৩ উইকেটে ৭৮।
২১৫ রানের বেশি তাড়া
করে টেস্ট জয়ের রেকর্ড বাংলাদেশের নেই। এবার কঠিন চ্যালেঞ্জের পথে শুরুটা দুর্দান্ত
হয় তামিমের সৌজন্যে।
টার্নিং উইকেটে স্রেফ
উইকেট আঁকড়ে না রেখে বল নতুন ও শক্ত থাকতেই দ্রুত রান তোলার কৌশল নেন তামিম। পেস-স্পিনে
একের পর এক বাউন্ডারি আসতে থাকে তার ব্যাটে। দলের পঞ্চাশ হয়ে যায় একাদশ ওভারেই।
১৩ ইনিংস পর উদ্বোধনী
জুটিতে পঞ্চাশ পেল বাংলাদেশ।
জুটি ভাঙতে বল হাতে
নেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। ম্যাচের চিত্র বদলের সেখানেই শুরু। প্রথম
বলেই তাকে উইকেট উপহার দেন সৌম্য সরকার।
কাট করার লেংথে বল
না থাকলেও সৌম্য কাট করতে যান। ব্যাট ছুঁয়ে বল কিপারের গ্লাভসে গোত্তা খেয়ে জমা পড়ে
স্লিপ ফিল্ডারের হাতে।
তামিম ৯ চারে ফিফটি
স্পর্শ করেন ৪৪ বলে। তার পথচলারও সমাপ্তি সেখানেই। ব্র্যাথওয়েটেরই নিরীহ এক বলে আলতো
ড্রাইভ করে ক্যাচ দেন শর্ট কাভারে, যে ফাঁদটি পেতে রাখা স্রেফ ওই শটের জন্যই!
শেষ নয় ওখানেই। চা
বিরতির ঠিক আগে রাকিম কর্নওয়ালের বল ফ্লিক করতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে ফেরেন নাজমুল হোসেন
শান্তও। ভালো শুরুর পরও তাই পথহারা বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর (চা বিরতি পর্যন্ত):
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ৪০৯
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৯৬
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস: (আগের দিন ৪১/৩) ৫২.৫ ওভারে ১১৭
(বনার ৩৮, ওয়ারিক্যান ২, মেয়ার্স ৬, ব্ল্যাকউড ৯, জশুয়া ২০, জোসেফ ৯, কর্নওয়াল ১, গ্যাব্রিয়েল
১*; তাইজুল ২১-৪-৩৬-৪, নাঈম ১৫.৫-৫-৩৪-৩, মিরাজ ৬-১-১৫-১, আবু জায়েদ ১০-৪-৩২-২)।
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ২৩১) ২১.৩ ওভারে ৭৮/৩ (তামিম ৫০, সৌম্য
১৩, শান্ত ১১, মুমিনুল ২*; কর্নওয়াল ১০.৩-২-২৬-১, জোসেফ ২-০-১৬-০, গ্যাব্রিয়েল ২-০-৮-০,
ওয়ারিক্যান ২-০-১৪-০, ব্র্যাথওয়েট ৫-১-১২-২)।