মিরপুর টেস্টের চতুর্থ
দিন লাঞ্চ বিরতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৬ উইকেটে ৯৮। প্রথম ইনিংসের ১১৩ রানের লিড মিলিয়ে
ক্যারিবিয়ানরা এগিয়ে ২১১ রানে।
প্রথম সেশনে ২৮ ওভারে
রান এসেছে ৫৮। উইকেট পড়েছে ৩টি।
দিনের প্রথম ওভারে
৭ রান দিয়ে শুরু করেছিলেন আবু জায়েদ। তবে দ্রুতই তিনি গুছিয়ে নেন নিজেকে। দলের প্রথম
লক্ষ্য পূরণ করে দেন তিনি নাইটওয়াচম্যাচ জোমেল ওয়ারিক্যানকে ফিরিয়ে দিয়ে।
গত টেস্টের ডাবল
সেঞ্চুরিয়ান কাইল মেয়ার্স শুরু করেন প্রথম বলেই বাউন্ডারিতে। তাকেও ওই ওভারে থামাতে
পারত বাংলাদেশ। আবু জায়েদের বল তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়ে কিপারের গ্লাভসে। কিন্তু
আউট দেননি আম্পায়ার, রিভিউ নেয়নি বাংলাদেশ।
এই ভুলের জন্য অবশ্য
ভুগতে হয়নি বাংলাদেশকে। দারুণ এক ডেলিভারিতে মেয়ার্সকে ৬ রানে এলবিডব্লিউ করে দেন সেই
আবু জায়েদই।
প্রথম ঘণ্টায় আবু
জায়েদের জোড়া ছোবলের পর দ্বিতীয় ঘণ্টার শুরুটাও বাংলাদেশের হয় দারুণ। তাইজুল ফেরান
বিপজ্জনক জার্মেইন ব্ল্যাকউডকে।
উইকেটে যাওয়ার পরপরই
আবু জায়েদের বলে দারুণ এক লফটেড ড্রাইভে ছক্কা মারেন ব্ল্যাকউড। পরে তাইজুলের বল ড্রাইভ
করতে গিয়ে তার পা ক্রিজ থেকে বাইরে বেরোয় সামান্য। দুর্দান্ত ক্ষীপ্রতায় বেলস উড়িয়ে
দেন কিপার লিটন।
বাংলাদেশ তখন ছিল
বেশ তেতে। কিন্তু ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে সব স্তিমিত করে দেন এনক্রুমা বনার ও জশুয়া
দা সিলভা। চতুর্থ দিনের ক্ষয় হতে থাকা উইকেটে টার্ন মিলছে যথেষ্টই। দারুণ টেকনিক, স্কিল
ও টেম্পারমেন্টের ছাপ রেখে বনার ও জশুয়া সামাল দেন চ্যালেঞ্জ।
লাঞ্চের সময় দুজনের
জুটি ৮২ বলে ২৫, এখনই ইনিংসের সর্বোচ্চ জুটি এটি। সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবচেয়ে ধারাবাহিক
দুই ব্যাটসম্যান এবারও জমে গেছেন। ১০৭ বলে ৩০ রান নিয়ে অপরাজিত বনার, ৫২ বলে ২০ রানে
জশুয়া।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ৪০৯
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৯৬
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস: (আগের দিন ৪১/৩) ৪৮ ওভারে ৯৮/৬
(বনার ৩০*, ওয়ারিক্যান ২, মেয়ার্স ৬, ব্ল্যাকউড ৯, জশুয়া ২০*; তাইজুল ১৯-৪-৩১-২, নাঈম
১৩-৫-২০-১, মিরাজ ৬-১-১৫-১, আবু জায়েদ ১০-৪-৩২-২)