ক্যাটাগরি

চিকিৎসায় ‘গাফিলতিতে মৃত্যু’, আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন

সোমবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার ৬ নম্বর চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের চর লক্ষ্মীপুর গ্রামের চর লক্ষ্মীপুর কাছিমুল উলুম মাদ্রাসার কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেনের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর আবুল কাশেম এ সময় সাংবাদিকদের বলেন, “গত বছরের ১ অক্টোবর সাজ্জাদের এপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা হলে নগরীর চরপাড়ার ব্রাহ্মপল্লী এলাকার রেজিয়া ক্লিনিকে অপারেশ হয়। পরদিন সকালে সাজ্জাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। সেখানে সাজ্জাদকে ভর্তি করার কিছুক্ষণ পরেই সে মারা যায়।”

এ ঘটনায় রেজিয়া ক্লিনিকের পরিচালক মো. হাসানুজ্জামান ও তার স্ত্রী ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জন ডিসি বর্মণ ও এনেসথেসিয়ার চিকিৎসক টিকে সাহা এবং প্রীতি রঞ্জন রায়কে আসামি করে আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন সাজ্জাদের মা আনোয়ারা বেগম। পরে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ১৫ ডিসেম্বর লাশ উত্তোলনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশ দেন বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা। 

তিনি বলেন, অচিরেই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হবে। সুষ্ঠ বিচার থেকে যেন কোনোভাবেই শিশুটির পরিবার বঞ্চিত না সে বিষয়টি মাথায় রেখে মামলার তদন্ত করা হবে।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে কবর থেকে লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সেই নির্দেশেই কাজ করা হয়েছে। পরবর্তীতে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারন করে পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন পেশ করবেন। ময়নাতদন্ত শেষ হলে লাশ আবার একই জায়গাতে দাফন করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিয়া ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, “অপারেশন করলে রোগী মারা যেতেই পারে। এ নিয়ে কারো সঙ্গে আপোস নয়। সাজ্জাদের মৃত্যুর বিষয়টিআইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মোকাবিলা করা হবে।”