ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগ তাদের গ্রেপ্তার করে বলেছে, এরা সবাই সংঘবদ্ধ কিশোর অপরাধী দলে জড়িত।
গত শুক্রবার রাতে হাসান মিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুবুর রহমান বলেন, “সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে হাসান মিয়াকে খুন করা হয়েছে।”
“খুবই তুচ্ছ ঘটনায় এই খুনের ঘটনা। সালাম না দেওয়ায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানিয়েছে।”
গ্রেপ্তার সবারই বয়স ১৬-১৭ বছরের মধ্যে। ঘটনার পরপরই এক কিশোরকে আটক করেছিল থানা পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব বলেন, “এই কিশোররা ‘ব্যান্ডেজ’ নামে গ্রুপ পরিচালনা করে।”
নিহত হাসান একটি প্রিন্টিং প্রেসে কাজ করতেন। তার বাড়ি কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারে।
মুগদার মান্ডায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন হাসান। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়।
মাসে
১৫-২০ খুন
রাজধানীতে মাসে গড়ে ১৫ থেকে ২০টি খুনের ঘটনা ঘটে বলে
জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম।
তিনি বলেন, “গড়ে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০টি খুনের ঘটনা
ঘটে। কোনো মাসে বেশি বা কোনো মাসে কম হয়। বার্ষিক গড় থেকে এই সংখ্যা বলেছি।”
ফেব্রুয়ারিতে কদমতলী ও মুগদায় দুটি খুনের ঘটনা ঘটে।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি কদমতলী থানার পূর্ব জুরাইনে আধিপত্য
বিস্তারকে কেন্দ্র করে মো. জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে খুন করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশের ওয়ারী বিভাগ এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে
থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
তারা হলেন, মো. শুক্কুর, মো. নুরুল ইসলাম স্বপন, মো.
রতন ওরফে সোলাইমান, মো. শফিকুর রহমান ওরফে দিপু, ফাহিম হাসান তানভীর, মো. তরিকুল ইসলাম
ও মাসুদ পারভেজ।
মাহবুব আলম বলেন, “মূলত এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে
কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটনো হয়েছে।”