আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় সোমবার রাতে বুন্ডেসলিগার ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে।
লিগে টানা পাঁচ ও সব প্রতিযোগিতা মিলে টানা সাত জয়ের পর পয়েন্ট হারাল বায়ার্ন।
পুরো ম্যাচে তিনটি শট লক্ষ্যে ছিল আর্মিনিয়ার, তিনটিই সফল। শুরুতে মিশেল
ভ্লাপের গোলে তারা এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান বাড়ান মানুয়েল প্রিটল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে
লেভানদোভস্কির গোলের পর ফের ব্যবধান দুই গোলে নেন ক্রিস্টিয়ান গিবাওয়া। এরপর কোরোঁতাঁ
তোলিসো ও আলফুঁস ডেভিসের গোলে হার এড়ায় বায়ার্ন।
গত বৃহস্পতিবার ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে বছরে ছয় শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়া বায়ার্নের
ম্যাচের শুরুটা হয় বাজে।
ম্যাচের প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণেই গোল আদায় করে নেয় আর্মিনিয়া। টানা
তুষারপাতে সাদা বর্ণ ধারণ করা মাঠে প্রিটলের পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকেই দারুণ শটে ঠিকানা
খুঁজে নেন ডাচ মিডফিল্ডার ভ্লাপ।
এই দুজনের নৈপুণ্যেই ৩৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। তবে এবার তারা ভিন্ন
ভূমিকায়। ভ্লাপের কর্নারে হেডে গোলটি করেন অস্ট্রিয়ার
মিডফিল্ডার প্রিটল।
প্রথমার্ধে বায়ার্নও দুটি সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু লেরয় সানের দুটি প্রচেষ্টায়
দারুণ দক্ষতায় ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক স্টেফান ওর্টেগা।
দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে ঘুরে দাঁড়ায় বায়ার্ন। দাভিদ আলাবার উঁচু করে
বাড়ানো বল বুক দিয়ে নামিয়ে ভলিতে ব্যবধান কমান লেভানদোভস্কি। আসরে ২০ ম্যাচে তার গোল
হলো ২৫টি।
এ যাত্রায় পাল্টা জবাব দিতে একদমই দেরি করেনি উজ্জীবিত আর্মিনিয়া। পরের
মিনিটেই কাছ থেকে টোকা দিয়ে স্কোরলাইন ৩-১ করেন আরেক অস্ট্রিয়ান মিডফিল্ডার গিবাওয়া।
চ্যাম্পিয়নদের আঙিনায় নিশ্চয় তখন অসাধারণ এক জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল
পয়েন্ট তালিকার নিচের দিকের দলটি। কিন্তু নাটকীয়তার তখনও ঢের বাকি।
১২ মিনিটের ব্যবধানে দুবার জালে বল পাঠিয়ে সমতায় ফেরে বায়ার্ন। ৫৭তম মিনিটে
ডান দিক থেকে সানের বাড়ানো ক্রসে ফরাসি মিডফিল্ডার তোলিসোর হেড ঠিকানা খুঁজে পায়।
আর জোরালো শটে স্কোরলাইন ৩-৩ করেন ডেভিস।
ম্যাচে লক্ষ্যে ১১ শট নেওয়া বায়ার্ন বাকি সময়ে প্রচণ্ড চাপ বাড়ায়। কিন্তু
পুরোপুরি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়া আর্মিনিয়ার দেয়াল আর ভাঙতে পারেনি তারা।
২১ ম্যাচে ১৫ জয় ও চার ড্রয়ে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বায়ার্ন। ৫ পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে লাইপজিগ।