মঙ্গলবার
ঢাকার মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলাম এই শুনানি নেন। তিনি যুক্তি শোনার পর তাৎক্ষণিকভাবে
কোনো আদেশ দেননি।
আল-জাজিরার
বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার আরজি নিয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আদালতে যান আইনজীবী আবদুল মালেক (মশিউর মালেক)। তবে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করতে গেলে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।
মামলার
আবেদনে আসামি করা হয়েছে- আল-জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্কের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মোস্তেফা
সউয়াগ, প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট শায়ের জুলকারনাইন ওরফে সামি, নেত্র নিউজের সম্পাদক তাসনিম
খলিল এবং যুক্তরাজ্য প্রবাসী ডেভিড বার্গম্যানকে।
মঙ্গলবার
শুনানিতে বিচারক জানতে চান, বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে এই দেশে মামলা চলতে পারে কি না?
জবাবে
বাদীর আইনজীবী আব্দুল খালেক বলেন, “আমরা দণ্ডবিধির ৩ ও ৪ ধারা ব্যাখ্যা করে বলেছি,
এই মামলা বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে চলতে পারে।”
দণ্ডবিধির
৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আইন বলে বিচার যোগ্য যে কোনো অপরাধের বিচার দেশের বাইরে
হলেও তা দেশীয় আইনে করা যাবে।
আর
৪ ধারায় বলা হয়েছে, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের নাগরিককেও এই আইনের আওতায় বিচার করা
যাবে।
এছাড়া
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মামলা আমলে গ্রহণের ক্ষমতার
বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।
খালেক
বলেন, “আদালত আমাদের ব্যাখ্যা ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। আশা করছি, আদালত ব্যাখ্যা গ্রহণ
করে মামলাটি গ্রহণ করবেন।”
বঙ্গবন্ধু
ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক মামলার আরজিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা ও সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রকাশের অভিযোগ
এনেছেন।
তিনি
বলেন, “প্রধানমান্ত্রী ও সেনা প্রধানের বিরুদ্ধে সম্মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে যড়যন্ত্র
করেছে। অবৈধভাবে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছে, যা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।”