ক্যাটাগরি

নওগাঁয় যাচাইয়ে বাদ পড়া ৫৭ মুক্তিযোদ্ধার প্রতিবাদ

রোববার উপজেলা পরিষদ
এলাকায় তারা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে  ঘণ্টাব্যাপী
মানববন্ধন করেছেন।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া
মুক্তিযোদ্ধারা জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ‘অনুমোদন ছাড়া’ বেসামরিক
গেজেটধারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের ৬ তারিখে শুরু হয়ে
এক নাগারে তিন দিনে সমাপ্ত হয়। ওই প্রতিবেদন গত ২২ র্ফেরুয়ারি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের
(জামুকা) মহাপরিচালক বরাবর পাঠায় জামুকার নিয়োগ করা কমিটি। নানা কারণ দেখিয়ে ওই তালিকায়
৩২ জনকে রেখে ৫৭ জনকে তালিকা বাদ দিয়ে নতুন তালিকা প্রকাশ করা হয়।

বেলা ১১টায় এই মানববন্ধনে
বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ফারুক হোসেন, স্থানীয়
কলেজের প্রভাষক সুলতান মাহমুদ প্রমুখ।

বক্তাদের অভিযোগ, বাদ
পড়া সবাই ‘প্রকৃত’ মুক্তিযোদ্ধা; তাদেরকে অন্যায়ভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও অভিযোগ করেন,
যাচাই-বাছাই কমিটিতে যুদ্ধকালীন কমান্ডার ছাড়াই সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা
বদিউজ্জামানকে, যা জামুকার নীতিমালার পরিপন্থী।

ধামইরহাট উপজেলার সাবেক
কমান্ডার ও যুদ্ধাকালীন কমান্ডার ফরমুদ হোসেন বলেন, “কমিটিতে প্রথমে জামুকা ধামইরহাটের
যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে আমাকে সভাপতি নিয়োগ করে। পরে যাচাই-বাছাইয়ের ২ দিন আগে আমাকে
বাদ দিয়ে অন্য একজনকে সভাপতি নিয়োগ করা হয়েছে, যা বিধি বহির্ভূত। অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার
নাম তালিকায় না আসায় আমি ক্ষোভ প্রকাশ করছি।”

এসব অভিযোগ বিষয়ে যাচাই-বাছাই
কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান বলেন, “আমরা যা করেছি সঠিকভাবেই কমিটির
অন্যান্য সদস্যদের মতামত নিয়ে করেছি, এতে কোনো অনিয়ম  হয়নি।”