বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ
অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (সিআইডি) উত্তম কুমার বিশ্বাস। আদালত
আগামী ৮ মার্চ পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য রেখেছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী খন্দকার
মোশারফ হোসেনের ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, মন্ত্রীর এপিএস এএইচএম ফুয়াদ, খন্দকার
নাজমুল ইসলাম লেভী, আশিকুর রহমান ফারহান, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান
ডেভিড, মোহাম্মদ আলী দিদার ও মো. তারিকুল ইসলাম নাসিম।
তাদের সহযোগী ৪২ জনকে নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে
জানিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, তাদের বিষয়ে প্রমাণ পেলে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়া
হবে।
দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে গত বছরের
২৬ জুন বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় মুদ্রা পাচার আইনে মামলা করেন সিআইডির
পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ।
সিআইডির করা এক আবেদনে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বরকত
ও রুবেলের ৫ হাজার ৭০৬ বিঘা জমি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার আদালত। পাশাপাশি তাদের
৫৫টি গাড়ি ক্রো করতে বলা হয়। এসব গাড়ির মধ্যে রয়েছে- বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট
কার।
তাদের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১০
সাল থেকে এ বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের
কাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল। এছাড়া,
মাদক ব্যবসা ও ভুমি দখল করে অবৈধ সম্পদ গড়েছেন। ২৩টি বাস, ট্রাকসহ বিলাসবহুল গাড়িরও
মালিক হয়েছেন। এছাড়া বিপুল পরিমাণ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন।
ফরিদপুরের রুবেল-বরকতের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ
ফরিদপুরের বরকত-রুবেলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
ফরিদপুরে আ.লীগ নেতা বরকত চাল-অস্ত্র-মদসহ গ্রেপ্তার
ফরিদপুরের সেই বরকত-রুবেলের আরেক ভাইকে গ্রেপ্তার
গত বছরের ১৬ মে রাতে ফরিদপুর শহরের
গোয়ালচামট মহল্লার মোল্লাবাড়ী সড়কে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার বাড়িতে
দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ওই বছরের ১৮ মে সুবল সাহা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিগত
আসামি করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।
গত বছরের ৭ জুন রাতে পুলিশের বিশেষ
অভিযানে ওই মামলার আসামি হিসেবে শহরের বদরপুরস্থ আফসানা মঞ্জিলসহ শহরের বিভিন্ন মহল্লায়
অভিযান চালিয়ে বরকত ও রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।