ভিবান্ডির ৪৫ বছর বয়সী সুখদেব কিরদাত মঙ্গলবার মারা গেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের গাড়িচালকের কাজ করা কিরদাতকে টিকার দ্বিতীয় ডোজটি দেওয়ার পর একটি পর্যবেক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছিলে, সেখানে প্রায় ১৫ মিনিট পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।
তাকে পার্শ্ববর্তী ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা দুই সন্তানের এই জনককে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার মৃত্যুর কারণ এখনও নির্ণয় করা যায়নি, ময়নাতদন্তের পর তা পরিষ্কার হতে পারে।
একজন স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে ২৮ জানুয়ারি তিনি টিকার প্রথম ডোজটি নিয়েছিলেন।
ইন্দিরা গান্ধী হাসপাতালের চিকিৎসক কে আর খারাত বলেছেন, “এক মাস আগে টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন তিনি তখন তার কোনো সমস্যা হয়নি। এবার ডোজ নেওয়ার আগে তাকে ফুল চেক আপ করানো হয়েছিল। অনেক বছর ধরে তিনি রক্তচাপে ভুগছেন এমনটি দেখেছি আমরা।
“তার পা ফোলা থাকার মতো লক্ষণ ছিল, কিন্তু তার রক্তচাপ ও অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক ছিল। কী কারণে তার মৃত্যু হল তা বলা কঠিন। তা নির্ণয় করতে ময়নাতদন্ত করতে হবে।”
ভারতের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীর দ্বিতীয় পর্বে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীরা এবং ৪৫ বছর বা তার বেশি বয়সী অসুস্থরা টিকা নেওয়ার সুযোগ পাবে। স্বাস্থ্যকর্মী ও সামনের সারির জরুরি সেবা কর্মীরা প্রথম পর্বে টিকা নিয়েছেন।
মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রে ৩৩ হাজার ৪৪ জন লোক টিকা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।