এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের
মত এই আয়োজন স্থগিত হয়েছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন মেলা আয়োজক কমিটির
সভাপতি আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী।
মহামারীর কারণে গত
বছরও মেলার ১১১তম আসর বাতিল করা হয়।
জহরলাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
ডটকমকে বলেন, “গতবছরও করোনা পরিস্থিতির কারণে আমরা মেলার আয়োজন করতে পারিনি। এবার ১১২তম
আয়োজন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মহামারীর কারণে তা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
“যেহেতু জব্বারের বলী
খেলা উপলক্ষে আয়োজিত মেলায় লাখো মানুষের সমাগম হয় এবং সারাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী ও
পণ্য বিক্রেতারা যোগাযোগ করছেন, তাই আমরা আগে থেকেই মেলা স্থগিতের বিষয়টি সবাইকে জানাতে
চাই।”
এ নিয়ে বুধবার দুপুরে
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে মেলা কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
জহরলাল বলেন, “১৯০৯
সালে এই মেলা শুরুর পর কখনও বন্ধ ছিল না। এ নিয়ে দু’বার মেলা স্থগিত করতে হলো। বলী
খেলাও আয়োজন করা হবে না।”
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে
দেশের যুব সমাজকে সংগঠিত করতে ১৯০৯ সালে স্থানীয় আব্দুল জব্বার সওদাগর নগরীর লালদিঘী
মাঠে আয়োজন করেন কুস্তি প্রতিযোগিতা। পরে যা আব্দুল জব্বারের বলী খেলা নামে পরিচিত
হয়। এর জনপ্রিয়তা এখনও অক্ষুণ্ন রয়েছে।
বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে
বৈশাখ মাসের ১২ তারিখে লালদিঘীর ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় এই খেলা। খেলার আগের দিন থেকে শুরু
করে পরদিন পর্যন্ত তিন ধরে লালদিঘীর মাঠ ও আশপাশের কয়েক কিলোমিটার জায়গাজুড়ে বসে বৈশাখী
মেলা।
বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে
উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, মেলা কমিটির সাধারণ
সম্পাদক শওকত আনোয়ার বাদল, সহ সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর এমএ মালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক
মোহাম্মদ জামাল হোসেন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, সাবেক কাউন্সিলর এসএম
জাফর ও আবু তৈয়ব প্রমুখ।