প্রধানমন্ত্রীর এ আচরণে প্রথমে স্তম্ভিত হলেও পরে আমোদবোধ করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বিব্রতকর প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার জন্যই প্রায়ুথ এমনটি করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাত বছর আগে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের সময় বিদ্রোহ করায় তার মন্ত্রিসভার তিন মন্ত্রীকে গত সপ্তাহে সাত বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভার ওই শূন্য পদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি তালিকার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রায়ুথ অস্বস্তিতে পড়েন।
মঞ্চে মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ানো প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জিজ্ঞেস করার মতো আর কিছু আছে?”
এরপর ওই তালিকার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি জানি না, আমি এটি দেখিনি। এটা কি এমন কিছু নয় যা প্রধানমন্ত্রীরই প্রথম জানা উচিত?”
এরপর প্রায়ুথ পোডিয়াম থেকে একটি ছোট হ্যান্ড স্যানিটাইজারের বোতল নিয়ে ধীরে সুস্থে হেঁটে সামনে বসা সাংবাদিকদের সারির কাছে যান, তারপর একে একে সবার সামনে স্যানিটাইজার স্প্রে করে দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিজের মুখের কাছে একটি সার্জিক্যাল মাস্ক ধরে রেখেছিলেন।
থাইল্যান্ডের সামরিক অভ্যুত্থানের সাবেক নেতা প্রায়ুথ গণমাধ্যমে তার ঢিলেঢালা ও কখনো কখনো হাস্যকর মন্তব্যের জন্য পরিচিত হলেও প্রায়ই সাংবাদিকদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে কথা বলেন।
গণমাধ্যমে আসা ভিডিও ফুটেজে পরে তাকে সাংবাদিকদের ওই একই দলের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। এ সময় তাকে বিরক্ত দেখাচ্ছিল আর তার কথাও শোনা যাচ্ছিল না, চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বারবার স্যানিটাইজার স্প্রে করছিলেন তিনি।