ক্যাটাগরি

দেশে ‍করোনাভাইরাসে মৃত্যু ছাড়াল সাড়ে ৮ হাজার

বৃহস্পতিবার
বিকালে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশে
করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির এই সবশেষ তথ্য জানানো হয়।

সেখানে বলা
হয়, সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্ত ১ হাজার ৫১ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের
মোট সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১৫৬ জন হয়েছে।

আর গত এক
দিনে মারা যাওয়া ৬ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার ৫০২ জনে
দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ৩০৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে
উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৭ হাজার ৯২০
জন হয়েছে।

বাংলাদেশে গত
বছর ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ার এক বছর পর গত ৭ মার্চ শনাক্ত
রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন
কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী
শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ২৩ জানুয়ারি তা আট হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের
৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বিশ্বে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর
সংখ্যা ইতোমধ্যে ১১ কোটি ৮০ লাখ পেরিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৬ লাখ ১৯ হাজার।

জনস হপকিন্স
বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ৩৩তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর
মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩৯তম অবস্থানে।

স্বাস্থ্য
অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১৮টি আরটি-পিসিআর ল্যাব, ২৯টি
জিন-এক্সপার্ট ল্যাব ও ৭২টি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাবে অর্থাৎ সর্বমোট ২১৯টি
ল্যাবে ১৮ হাজার ৫৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪২ লাখ ১৬
হাজার ২৮টি নমুনা।

২৪ ঘণ্টায়
নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের
হার ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং
মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

সরকারি
ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৫০৬টি। আর
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ৯ লাখ ৮৫ হাজার ২২টি।

 

গত এক দিনে
যারা মারা গেছেন, তাদের সবাই পুরুষ এবং সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। তাদের ৫ জনের
বয়স ৬০ বছরের বেশি এবং ১ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ছিল।

মৃতদের মধ্যে
৩ জন ঢাকা বিভাগের এবং ১ জন চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। 

দেশে এ
পর্যন্ত মারা যাওয়া ৮ হাজার ৫০২ জনের মধ্যে ৬ হাজার ৪৩০ জনই পুরুষ এবং ২ হাজার ৭২
জন নারী।

তাদের মধ্যে
৪ হাজার ৭৩৩ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়াও ২ হাজার ১০৭ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০
বছরের মধ্যে, ৯৬৩ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৪২৫ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের
মধ্যে, ১৭৩ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৬৪ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে
এবং ৩৭ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম।

এর মধ্যে ৪
হাজার ৭৫৮ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৫৭১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪৮১ জন রাজশাহী
বিভাগের, ৫৬৩ জন খুলনা বিভাগের, ২৫৭ জন বরিশাল বিভাগের, ৩১১ জন সিলেট বিভাগের, ৩৬৪
জন রংপুর বিভাগের এবং ১৯৭ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।