রোববার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভা কক্ষে দেশের
জ্যেষ্ঠ আলেমদের সঙ্গে এক মতবিনিময়ে এ বিষয়ে ঐকমত্য হয় বলে সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সেখানে বলা হয়, সভায় রোজার মাসে কোভিড-১৯
এর টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং দেশের জনগণের সুরক্ষার জন্য টিকা নেওয়ার
ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
“আলোচনায় উপস্থিত আলেম সমাজ সর্বসম্মতভাবে
একমত পোষণ করেন যে, যেহেতু করোনাভাইরাসের টিকা মাংসপেশিতে গ্রহণ করা হয় এবং তা সরাসরি
খাদ্যনালী বা পাকস্থলিতে প্রবেশ করে না, সেহেতু রমজান মাসে রোজাদার ব্যক্তি দিনের বেলায়
শরীরে টিকা গ্রহণ করলে রোজা ভঙ্গ হবে না।”
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “মুসলিম বিশ্বের
শীর্ষস্থানীয় আলেমগণও একইরূপ মত পোষণ করেছেন। কাজেই রোজা রেখে করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ
করা যাবে।”
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে আশা
হয়েছে এসেছে টিকা। বাংলাদেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণটিকাদান শুরু হয়েছে।
যারা ইতোমধ্যে টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন,
তাদের দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে দুই মাস পর। ফলে ফেব্রুয়ারিতে যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন,
তাদের দ্বিতীয় ডোজের তারিখ পড়বে এপ্রিলে রোজার মধ্যে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মো. মুশফিকুর
রহমানের সভাপতিত্বে ওই মতবিনিময় সভায় দেশের জ্যেষ্ঠ আলেমরা ছাড়াও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের
সচিব জনাব মো. নূরুল ইসলাম এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।