ব্যাংক এশিয়া ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া
২০২০ অর্থবছরের জন্য এই লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ।
আগামী ২৯ এপ্রিল সাধারণ সভায় এবারের লভ্যাংশের অনুমোদন নিতে
হবে। সেজন্য রেকর্ড ডেট ঠিক হয়েছে ৮ এপ্রিল।
সেখানে অনুমোদন পেলে ব্যাংক এশিয়া ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের
প্রতিটি শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা ১ টাকা পয়সা করে পাবেন।
২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির শেয়ার
বর্তমানে লেনদেন হচ্ছে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে।
২০২০ অর্থবছরে ব্যাংক এশিয়া শেয়ার প্রতি মুনাফা করেছে ১
টাকা ৭৫ পয়সা। এ সময় তাদের শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ২৩ টাকা ৪৮ পয়সা।
শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ হয়েছে ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা।
আগের বছর এই সময় তাদের শেয়ার প্রতি মুনাফা মূল্য ছিল ১ টাকা
৬৮ পয়সা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ছিল ২১ টাকা ২২ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ ছিল
ঋণাত্মক ২২ টাকা ৭৪ পয়সা।
২০১৭ অর্থবছরে ব্যাংক এশিয়া মুনাফা করেছিল ২১১ কোটি ২১ লাখ
টাকা। লভ্যাংশ দিয়েছিল প্রতি ১০০ শেয়ারে সাড়ে ১২টি শেয়ার।
২০১৮ অর্থবছরে ২২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা মুনাফা করে ব্যাংক
এশিয়া বিনিয়োগকারীদের প্রতি ১০০ শেয়ারে নতুন ৫টি শেয়ার লভ্যাংশ দেয় এবং প্রতি
শেয়ারে ৫০ পয়সা লভ্যাংশ দেয়।
আর ২০১৯ অর্থবছরে এ কোম্পানি ১৯৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা মুনাফা
দেখিয়েছিল; লভ্যাংশ
দিয়েছিল শেয়ার প্রতি ১ টাকা।
পুঁজিবাজারে এ কোম্পানির ১১৬ কোটি ৫৯ লাখ ৬ হাজার ৮৬১টি শেয়ার
আছে। এর মধ্যে ৫১ দশমিক ৩৩ শতাংশ আছে পরিচালকদের হাতে।
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে ৩৪ দশমিক শূন্য ৭
শতাংশ শেয়ার, বিদেশিদের
হাতে দশমিক শূন্য ২২ শতাংশ শেয়ার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৪ দশমিক ৩৮
শতাংশ শেয়ার আছে।
ব্যাংক এশিয়ার বর্তমান বাজার মূলধন ২ হাজার ৭৫ কোটি ৩১ লাখ
টাকা। কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৬৫ কোটি টাকা; রিজার্ভের
পরিমাণ ১ হাজার ২৯২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।