ক্যাটাগরি

কোভিড-১৯: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরীর মৃত্যু

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে
বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ
প্রিন্স জানান।

তিনি বলেন, “করোনায়
আক্রান্ত হয়ে উনি হানপাতালে ছিলেন। তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন ছিল।”

৭৬ বছর বয়সী রুহুল আলম
চৌধুরীর নমুনা পরীক্ষায় সংক্রমণ ধরা পড়লে গত ১০ মার্চ তাকে সিএমএইচ এ ভর্তি করা
হয়। অবস্থার অবণতি হলে ১৩ মার্চ থেকে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

রুহুল আলম চৌধুরী ২০০৬
সালে ইয়াজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
ছিলেন। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ
জাতীয় কাউন্সিলের পর রুহুল আলম চৌধুরী দলের ভাইস চেয়ারম্যান হন। এর আগে তিনি
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।

রুহুল আলম চৌধুরী ১৯৪৭
সালেল ২৪ আগস্ট কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা মগনাসা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬৬ সালে পাকিস্তান
সামরিক একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষে আমর্ড কোরে যোগ দেন রুহুল আলম। দেশ স্বাধীন
হওয়ার পরে ১৯৭২ সালে যোগ দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে।

তিনি বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর আমর্ড কোরের প্রথম পরিচালক ছিলেন। ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল স্টাফ
অফিসার (অপারেশন), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং রাষ্ট্রপতির
সামরিক সচিবের দায়িত্বও তিনি বিভিন্ন সময়ে পালন করেছেন।

শনিবার আসরের পর জানাজা শেষে বনানী সামরিক
কবরাস্থানে দাফন করা হয় সেনাবাহিনীর এই সাবেক কর্মকর্তাকে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, জয়নাল আবেদীন, মো. হানিফ, সারোয়ার হোসেন, শায়রুল কবির খান, হাসান বিন শফিক সোহাগ জানাজায় অংশ নেন। পরে বিএনপির পক্ষ থেকে মরহুমের কবরে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরীর মৃত্যুতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন।

স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন রুহুল আলম
চৌধুরী।