আর ২০ মার্চ পর্যন্ত এক সপ্তাহে তার আগের সপ্তাহের তুলনায় করোনাভাইরাসে
মৃত্যুর সংখ্যা ৮৫ শতাংশ বেড়েছে বলে উঠে এসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ১৪ থেকে ২০
মার্চ – এই এক সপ্তাহে সারা দেশে মোট
এক লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
এ সময়ে ১২ হাজার ৪৭০ জনের মধ্যে
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৪১ জনের মৃত্যু হয়। আর ১০
হাজার ৪০৮ জন সুস্থ হয়ে ওঠেন।
তার আগের সপ্তাহে ৭ থেকে ১৩ মার্চের
মধ্যে মোট এক লাখ ১৬ হাজার ২৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল।
ওই সময়ে ৬ হাজার ৫১২ জন নতুন রোগী
শনাক্ত হয়েছিল, মৃত্যুর হয়েছিল ৭৬ জনের। আর ৮ হাজার ৩৪৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন।
সেই হিসেবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে নমুনা
পরীক্ষার সংখ্যা বেড়েছে ২০ দশমিক ১৬ শতাংশ। আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৯১
দশমিক ৪৯ শতাংশ; মৃত্যু বেড়েছে ৮৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ
কোভিড-১৯: দৈনিক শনাক্ত রোগীর হার
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার
সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২১৯টি ল্যাবে মোট ১৯ হাজার ৯০০টি নমুনা
পরীক্ষা করা হয়। তাতে আরও ১ হাজার ৮৬৮ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে শনাক্ত
রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৬৮ হাজার ৭০৬ জনে পৌঁছায়।
এই ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয় আরও
২৬ জনের। তাতে মোট মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার ৬৬৮ জনে পৌঁছায়।
দেশে এ পর্যন্ত যাদের মধ্যে সংক্রমণ ধরা
পড়েছে, তাদের মধ্যে ৫ লাখ ২০ হাজার ৭১৮ জনই সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে স্বাস্থ্য
অধিদপ্তর জানিয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায়
শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫২ শতাংশ।
গত ১৯ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৫
শতাংশের নিচে নেমে আসার পর এক পর্যায়ে তা ৩ শতাংশের নিচেও নেমেছিল। তবে মার্চের
শুরু থেকে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শনাক্তের হারও বাড়তে থাকে। ৯ মার্চ তা আবার ৫ শতাংশ
ছাড়িয়ে যায়। আর গত তিন দিন তা রয়েছে ৯ থেকে ১১ শতাংশের মধ্যে।