ক্ষুব্ধ যাত্রীরা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে খিলক্ষেত এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক আটকে দিলে যানবাহন
চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিত শান্ত করে।
মিজানুর রহমান নামে প্রত্যক্ষদর্শী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সকালে অফিস টাইমে লোকজন বাসে উঠতে না পেরে কিছুক্ষণ রাস্তা আটকে রাখে। পরে পুলিশ এসে সবাইকে বাসে উঠিয়ে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।”
খিলক্ষেত থানার এসআই শাহীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় বাসে ৫০ শতাংশ যাত্রী বহনের নিয়ম করা হয়েছে। ফলে সকালে যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ গিয়ে যাত্রীদের বাসে উঠিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।”
ক্ষুব্ধ যাত্রীরা ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাস্তা আটকে রাখে বলে জানান তিনি।
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার
১৮ দফা নির্দেশনা জারি করার পর বুধবার থেকে অর্ধেক আসন খালি রেখে গণপরিবহন চালানোর
সিদ্ধান্ত হয়।
রাজধানীর বেশির ভাগ রুটে বেসরকারি যে
মিনিবাসগুলো চলাচল করে, সেগুলো কমবেশি ৫০ আসনের। সরকারি
নির্দেশনা পাওয়ার পর অর্ধেক আসন খালি রেখে ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়িয়ে সেগুলো যাত্রী
পরিবহন করছে এখন।
বুধবারও ঢাকার বিভিন্ন
এলাকায় যাত্রীদের একরকম যুদ্ধ করে বাসে ওঠার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। আবার অনেকে
যানবাহন না পেয়ে পায়ে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা হন।