ক্যাটাগরি

১০ ওভারের ম্যাচেও বাংলাদেশের ৬৫ রানে হার

ছোট ম্যাচে বড়
হার

ব্যর্থতার সফরে শেষটাও
হতাশাজনক হলো
বাংলাদেশের। ১০ ওভারের ম্যাচেও
হারতে হলো
৬৫ রানে!

১৪২ রান তাড়া
বাংলাদেশের বাস্তবতায় ছিল ভীষণ কঠিন। কিন্তু লড়াইয়ের ছাপটুকুও রাখতে
পারল না
ব্যাটসম্যানরা। ১০ ওভারের ম্যাচেও
অল আউট,
রান মাত্র
৭৬।

ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড
পারফরম্যান্সে নিউ জিল্যান্ড শেষ করল
অসাধারন এক
মৌসুম।

নিউ জিল্যান্ডকে তাদের
মাটিতে হারানোর
আশা এবারও
পূরণ হলো
বাংলাদেশের। তিন
সংস্করণ মিলিয়ে
টানা হার
হলো ৩২টি!

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউ জিল্যান্ড: ১০
ওভারে ১৪১/৪ (গাপটিল
৪৪, অ্যালেন
৭১, ফিলিপস
১৪, মিচেল
১১*, চাপম্যান
০*; নাসুম
২-০-২৯-০,
তাসকিন ২-০-২৪-১, শরিফুল
২-০-২১-১,
রুবেল ২-০-৩৩-০, মেহেদি
২-০-৩৪-১)।

বাংলাদেশ: ৯.৩ ওভারে ৭৬
(নাঈম ১৯,
সৌম্য ১০,
লিটন ০,
শান্ত ৮,
আফিফ ৮,
মোসাদ্দেক ১৩, মেহেদি ০, শরিফুল
৬, তাসকিন
৫, রুবেল
৩*, নাসুম
৩; সাউদি
২-০-১৫-৩,
মিল্ন ২-০-২৪-১, ফার্গুসন
২-০-১৩-১,
অ্যাস্টল ২-০-১৩-৪, ফিলিপস
১.৩-০-১১-১)।

ব্যর্থ মোসাদ্দেকও

শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান
মোসাদ্দেক হোসেনও পারলেন না ভালো
কিছু করতে। সফরে প্রথমবার সুযোগ পেয়ে
করতে পারলেন
৮ বলে
১৩।

টিম সাউদির বলে
জায়গা বানিয়ে
উড়িয়ে মেরেছিলেন। কিন্তু স্লোয়ার বলে টাইমিং
ঠিক মতো
করতে পারেননি। ক্যাচ নেন উইল ইয়াং।

বোল্ড তাসকিন

লকি ফার্গুসনের ফুল
লেংথ স্লোয়ার
বলে স্লগ
করতে গিয়ে
তাসকিন আহমেদ
বোল্ড ৫
রান করে। বাংলাদেশ ৭.১ ওভারে
৮ উইকেটে
৬৫।

বিদায় শরিফুলেরও

অ্যাডাম মিল্নকে দারুণ
একটি ছক্কার
পর বিদায়
নিলেন শরিফুল
ইসলাম।
স্টাম্প সোজা
গতিময় ডেলিভারি
জায়গা বানিয়ে
খেলতে গিয়ে
বোল্ড।

৩ বলে ৬
করে আউট
শরিফুল।
বাংলাদেশ ৭
উইকেটে ৬০।

অ্যাস্টলের চতুর্থ

মেহেদি হাসান পারলেন
না ঝড়
তুলতে।
অ্যাস্টলকে স্লগ করে টাইমিং করতে
পারেননি ঠিকমতো। সহজ ক্যাচ যায় ডিপ
মিড উইকেটে
গ্লেন ফিলিপসের
হাতে।

শূন্যতে শেষ মেহেদি। বাংলাদেশ ৫.২ ওভারে
৬ উইকেটে
৫২।

২ ওভার বোলিংয়ের
সুযোগেই অ্যাস্টল
পেলেন ৪
উইকেট।
আগের তিনটি
টি-টোয়েন্টি
মিলিয়ে তার
উইকেট ছিল
৩টি।

কনওয়ের দুর্দান্ত স্টাম্পিং

টড অ্যাস্টলের বলে
দারুণ এক
ছক্কার পরই
আউট হলেন
আফিফ হোসেন। মূল কৃতিত্ব যদিও কিপার
ডেভন কনওয়ের। অসাধারণ স্টাম্পিংয়ে তিনি ফেরালেন
আফিফকে।

অ্যাস্টলের বলে আফিফ
স্লগ করে
ব্যাটে লাগাতে
পারেননি, অনেকটা
লাফানো বল
দারুণভাবে গ্লাভসে জমান কনওয়ে।
তারপর
চোখের পলকে
উড়িয়ে দেন
বেলস।
অবিশ্বাস্য ক্ষীপ্রতা!

আফিফ আউট ৬
বলে ৮
করে।
বাংলাদেশ ৫.২ ওভারে
৫ উইকেটে
৫২।

অ্যাস্টলের আরেকটি

লেগ স্পিনের দুর্দান্ত
প্রদর্শনীতে প্রথম ওভারেই জোড়া শিকার
ধরলেন টড
অ্যাস্টল।
নাঈমের পর
তিনি বিদায়
করলেন নাজমুল
হোসেন শান্তকে।

অ্যাস্টল চেষ্টা করেছিলেন
গুগলি করতে। বল পড়ে যায় শর্ট। তবে পিচ করে অনেকটা
মন্থর হয়ে
আসে।
শান্ত ব্যাট
চালিয়ে দেন
আগেই।
উড়ে যায়
বেলস।

৬ বলে ৮
রান করে
আউট শান্ত। ৪ ওভারে বাংলাদেশ ৪
উইকেটে ৩৭।

পারলেন না নাঈম

সৌম্য ও লিটনের
পর ঝড় তুলতে
ব্যর্থ মোহাম্মদ
নাঈম শেখও। লেগ স্পিনার টড অ্যাস্টলের
প্রথম দুই
বলে রান
নিতে না
পারার পর
তৃতীয় বল
উড়িয়ে মেরে
টাইমিং করতে
পারেননি।
লং অনে
ক্যাচ নেন
মার্ক চাপম্যান।

১৩ বলে ১৯
করে আউট
নাঈম।
বাংলাদেশ ৩.৩ ওভারে
৩ উইকেটে
৩১।

পাওয়ার প্লেতে ৩১

পাওয়ার প্লে যতটা
কাজে লাগানো
প্রয়োজন ছিল,
ততটা পারেনি
বাংলাদেশ।
৩ ওভার
শেষে রান
২ উইকেটে
৩১।

দুটি ছক্কা ও
একটি চার
মারলেও কিছু
ডট বল
খেলায় মোহাম্মদ
নাঈম শেখের
রান ১০
বলে ১৯।

লিটন ‘গোল্ডেন ডাক’

নেতৃত্বের অভিষেকে ভীষণ
দৃষ্টিকটু শটে প্রথম বলেই আউট
লিটন কুমার
দাস।
উইকেটে গিয়ে
প্রথম বলেই
অনেকটা শাফল
করে স্কুপ
করতে চাইলেন
সাউদিকে।
ব্যাটে-বলে
হলো না,
বল লাগল
অফ স্টাম্পে।

প্রথম ওভার শেষে
বাংলাদেশ ২
উইকেটে ১১।

শুরুতেই শেষ সৌম্য

টিম সাউদির বলে
দুটি বাউন্ডারির
পর তার
বলেই আউট
হলেন সৌম্য
সরকার।
স্লোয়ার ডেলিভারি
ঠিকমতো খেলতে
পারেননি বাঁহাতি
এই ব্যাটসম্যান। বল তার ব্যাট ছুঁয়ে
প্যাডে লেগে
উঠে যায়
একটু ওপরে। বোলিংয়ের পর ফলো থ্রুতে
সামনে ছুটে
ডাইভ দিয়ে
অসাধারণ ক্যাচ
নেন সাউদি।

৪ বলে ১০
রান করে
বিদায় সৌম্যর। বাংলাদেশ ১ উইকেটে ১১।

ছোট ম্যাচে বড়
লক্ষ্য

শেষ দুই ওভারে
রানের গতিতে
একটু লাগাম
দিয়ে নিউ
জিল্যান্ডকে দেড়শর মধ্যে আটকে রাখতে
পারল বাংলাদেশ। তারপরও অবশ্য লক্ষ্য
বিশাল, ১০
ওভারে করতে
হবে ১৪২!

ছোট মাঠ ও
ব্যাটিং উইকেটে
১০ ওভারের
ম্যাচে রান
উৎসব
করলেন নিউ
জিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা।

বাংলাদেশের হয়ে বোলার
ছিলেন পেসার
শরিফুল ইসলাম। শেষ ওভারটি দারুণ করেন
তাসকিন আহমেদও। এই দুজনের জন্যই আরও
বড় হয়নি
বাংলাদেশের লক্ষ্য।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউ জিল্যান্ড: ১০
ওভারে ১৪১/৪ (গাপটিল
৪৪, অ্যালেন
৭১, ফিলিপস
১৪, মিচেল
১১*, চাপম্যান
০*; নাসুম
২-০-২৯-০,
তাসকিন ২-০-২৪-১, শরিফুল
২-০-২১-১,
রুবেল ২-০-৩৩-০, মেহেদি
২-০-৩৪-১)।

অ্যালেনের জীবন পাওয়া
চলছে

ফিন অ্যালেনের ক্যাচ
না নেওয়ার
প্রতিজ্ঞা করে নেমেছে যেন বাংলাদেশ। এবার নিজের বলে ক্যাচ
ছাড়লেন শরিফুল
ইসলাম।

শর্ট বল উড়িয়ে
মারতে গিয়ে
ঠিকমতো ব্যাটে
বলে করতে
পারেননি অ্যালেন। আপাতত সহজ ক্যাচের জন্য
বলের নিচেও
ঠিকঠাক যেতে
পারেননি শরিফুল।

এবার অ্যালেন বাঁচলেন
৬৯ রানে।

শরিফুলের শিকার ফিলিপস

নিজের শেষ ওভারে
গ্লেন ফিলিপসকে
ফেরাতে পারলেন
শরিফুল ইসলাম। ইয়র্কার লেংথের বলে ঠিক
মতো বলের
নিচে গিয়ে
মারতে পারেননি
ফিলিপস।
মিড অফে
ক্যাচ নেন
সৌম্য সরকার।

৬ বলে ১৪
করে আউট
ফিলিপস।
নিউ জিল্যান্ড
৮.২
ওভারে ২
উইকেটে ১২৩।

ঝড়ের বেগে একশ

রুবেল হোসেনের বলে
গ্লেন ফিলিপসের
ছক্কায় মাত্র
৬.৫
ওভারেই নিউ
জিল্যান্ডের রান পেরিয়ে গেল একশ।

অবশেষে উইকেট

ওভারের প্রথম তিন
বলে দুই
ছক্কা ও
এক চার
হজমের পর
অবশেষে মার্টিন
গাপটিলকে আউট
করতে পারলেন
মেহেদি হাসান। লো-ফুল টস ডেলিভারি
গাপটিল তুলে
দেন সোজা
এক্সট্রা কাভারে
আফিফ হোসেনের
হাতে।

১৯ বলে ৪৪
করে আউট
হলেন গাপটিল। নিউ জিল্যান্ড ৫.৪ ওভারে ১
উইকেটে ৮৫।

ব্যাটিং তাণ্ডবে অ্যালেনের
ফিফটি

রুবেলের হোসেনের গুলির
বেগে এক
শটে বাউন্ডারি
মেরে ফিন
অ্যালেন স্পর্শ
করলেন ফিফটি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তৃতীয় ম্যাচে
তার প্রথম
ফিফটি।

১৮ বল লেগেছে
তার পঞ্চাশ
হতে।
নিউ জিল্যান্ডের
হয়ে এটি
দ্বিতীয় দ্রুততম
ফিফটি।
কলিন মানরোর
১৪ বলে
ফিফটি কিউইদের
রেকর্ড।
মানরোর আরও
দুটি ফিফটি
আছে ১৮
বলে।

অ্যালেন আবার

ফিফটির পর আরেক
দফায় জীবন
পেলেন ফিন
অ্যালেন।
আগের দুটির
চেয়ে তুলনামূরক
সহজ ছিল
এটি।
এবার ক্যাচ
নিতে পারেননি
সৌম্য।
১৯ ও
২৯ রানের
পর ৫০
রানে রক্ষা
পেলেন অ্যালেন।

অ্যালেনের রক্ষা আরেকবার

শরিফুলের এক ওভারে
দুবার ক্যাচ
দিয়েও বেঁচে
গেলেন ফিন
অ্যালেন।
এবারও তিনি
গায়ের জোরে
মেরেছিলেন অনেক ওপরে। সৌম্য সরকার ও মোসাদ্দেক
হোসেন ছুটে
এলেও ক্যাচ
নিতে পারেননি
কেউ।
১৯ রানের
পর এবার
২৯ রানে
বেঁচে গেলেন
অ্যালেন।

জীবন পেলেন অ্যালেন

বাংলাদেশের ফিল্ডারদের ক্যাচ
মিস, এই
সিরিজের সবচেয়ে
নিয়মিত ঘটনা। এবারের সুযোগটি অবশ্য ছিল
অনেক কঠিন। শরিফুল ইসলামকে উড়িয়ে মারেন
ফিন অ্যালেন,
মিড অফ
থেকে পেছন
দিকে ছুটে
চেষ্টা করেও
ক্যাচ নিতে
পারেননি রুবেল
হোসেন।

অ্যালেনের রান তখন
১৯।

পাওয়ার প্লেতে তাণ্ডব

প্রথম ওভারে নাসুম
আহমেদের বলে
বিশাল এক
ছক্কা।
পরের ওভারে
তাসকিন আহমেদের
বলে আরও
দুটি।
মার্টিন গাপটিলের
ছক্কা ঝড়ে
শুরু নিউ
জিল্যান্ডের ইনিংস।

পরে আক্রমণে যোগ
দেন ফিন
অ্যালেন।
তৃতীয় ওভারে
নাসুমের প্রথম
তিন বলেই
মারেন বাউন্ডারি,
পরের বলে
ছক্কা।

৩ ওভারের পাওয়ার
প্লে শেষে
নিউ জিল্যান্ড
কোনো উইকেট
না হারিয়ে
৪৩।
গাপটিলের রান
১২ বলে
২৪, অ্যালেন
৬ বলে
১৯।

কিউইদের পরিবর্তন দুটি

আগেই সিরিজ জয়
নিশ্চিত করা
নিউ জিল্যান্ড
শেষ ম্যাচের
একাদশে পরিবর্তন
এনেছে দুটি। লেগ স্পিনার ইশ সোধির
জায়গায় সুযোগ
পেয়েছেন আরেক
লেগ স্পিনার
টড অ্যাস্টল। তার ব্যাটের হাতও খারাপ
নয়।
পেসার হামিশ
বেনেটের জায়গায়
একাদশে ফিরেছেন
ফাস্ট বোলার
লকি ফার্গুসন।

নিউ জিল্যান্ড একাদশ:  মার্টিন
গাপটিল, ফিন
অ্যালেন, ডেভন
কনওয়ে, উইল
ইয়াং, গ্লেন
ফিলিপস, মার্ক
চাপম্যান, ড্যারিল মিচেল, টিম সাউদি
(অধিনায়ক), টড অ্যাস্টল, লকি ফার্গুসন,
অ্যাডাম মিল্ন।

তিন পরিবর্তন বাংলাদেশের

আগের ম্যাচের একাদশ থেকে বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন আনা হয়েছে তিনটি। চোটের কারণে নেই নিয়মিত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। এছাড়াও জায়গা পাননি মোহাম্মদ মিঠুন ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। একাদশে সুযোগ পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন ও রুবেল হোসেন।

রুবেল বাংলাদেশের হয়ে
সবশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন
২০১৮ সালের
অগাস্টে, শান্ত
২০১৯ সালের
সেপ্টেম্বরে ও মোসাদ্দেক ২০১৯ সালের
নভেম্বরে।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নাঈম শেখ, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন, নাজমুল হোসেন শান্ত, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান, তাসকিন আহমেদ, নাসুম আহমেদ, রুবেল হোসেন, শরিফুল ইসলাম।

টস জয় লিটনের

বাংলাদেশের নেতৃত্বে প্রথম টস জিতলেন লিটন দাস। সিদ্ধান্ত অনুমিতই। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে টস জিতলে পরে ব্যাটিংয়ের পথ বেছে নেন বেশির ভাগ অধিনায়ক। লিটনও ব্যতিক্রম নন। 

১০ ওভারের ম্যাচ

টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বৃষ্টিতে হয়ে গেছে টি-টেন। ১০ ওভারের খেলা, পাওয়ার প্লে থাকছে ৩ ওভার।

বৃষ্টি শেষে টসের অপেক্ষা

অবশেষে টসের ঘোষণা

অপেক্ষার পালা শেষ। বৃষ্টি শেষে মাঠ পরিদর্শন করে আম্পায়াররা জানান টসের ঘোষণা। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে হবে টস। খেলা শুরু ২ টা ১০ মিনিটে।

অপেক্ষা চলছে

আধ ঘণ্টার জন্য বৃষ্টি থেমেছিল। মাঠ শুকানোর কাজ চলছিল। মাঠ পরিদর্শন করেছিলেন আম্পায়াররা। কিন্তু বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে আবার শুরু হয় বৃষ্টি।

বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন

খেলা শুরুর সময় ছিল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা, তখনই আবার ফিরে এসেছে বৃষ্টি। মাঠ শুকানোর প্রক্রিয়া তাই আপাতত বন্ধ। উইকেট ঢেকে রাখা হয়েছে কাভারে।

সরেছে কাভার

বৃষ্টি থেমেছে অকল্যান্ডে, ইডেন পার্কের উইকেটের কাভার সরেছে। চলছে মাঠ শুকানোর কাজ। দুই দলের কয়েকজন ক্রিকেটারও মাঠে নেমে পর্যবেক্ষণ করছেন পরিস্থিতি।

বৃষ্টি ভেজা ইডেন পার্ক

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ছিল বৃষ্টি। অকল্যান্ডের প্রকৃতি সেই পূর্বাভাসকেই অনুসরণ করেছে। টানা বৃষ্টি চলছে। বিকেলে নিউ জিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মেয়েদের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে খেলা হতে পেরেছে কেবল ১৭ বল। শঙ্কায় এখন নিউ জিল্যান্ড-বাংলাদেশের এই লড়াইও। টস হচ্ছে না সময়মতো।

শুরুর আগেই ধাক্কা

ম্যাচ শুরুর আগেই বড় চোট লেগেছে বাংলাদেশের আশায়। ঊরুর চোটের কারণে এই ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। তার জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দেবেন লিটন দাস।

আগের টি-টোয়েন্টিতে নেপিয়ারে এই চোট পান মাহমুদউল্লাহ। ম্যাচের আগে দল থেকে জানানো হয়, ফিট হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। বাংলাদেশের সপ্তম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হতে যাচ্ছেন লিটন।

ধরা দেবে অধরা জয়?

একটি জয়ের আশায় আরেকটি সফর শেষ হওয়ার পথে। নিউ জিল্যান্ডতে তাদের মাটিতে এবারও হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। আগের নানা সফরে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ২৬ ম্যাচ, এবার হয়ে গেছে ৫ ম্যাচ। জয় এখনও অধরা। শেষ ম্যাচে হারের ধারা দীর্ঘায়িত হবে ৩২ ম্যাচে নাকি প্রথম জয়ের স্বাদ পাবে বাংলাদেশ?