রাজ্যটির টেরি জেলার কুণ্ডি গ্রামের কাছে একটি বনে এ ঘটনা ঘটেছে বলে রোববার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন বলে খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।
স্থানীয় মহকুমা হাকিম পিআর চৌহান জানিয়েছেন, একটি বন্দুক থেকে দুর্ঘটনাবশত বের হওয়া গুলিতে তাদের একজনের মৃত্যু হলে আরও তিন বন্ধু আত্মহত্যা করেন, অপরাধবোধ থেকে তারা এমনটি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তাদের সঙ্গে থাকা আরও দুই বন্ধু গ্রামবাসীদের এ ঘটনার খবর দেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার রাতে ভিলানগানা ব্লকের একটি গ্রাম থেকে সাত বন্ধু মিলে শিকারে গিয়েছিলেন বলে চৌহান জানান।
গুলি ভর্তি বন্দুক কাঁধে নিয়ে রাজিব (২২) দলটিকে পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিচ্ছিলেন। এ সময় ভারসাম্য হারিয়ে তিনি পড়ে যান। কাঁধে থাকা বন্দুক থেকে গুলি বের হয়ে বন্ধু সন্তোষের গায়ে লাগে।
রক্তক্ষরণে সন্তোষের মৃত্যু হলে অন্য বন্ধুরা ভীত হয়ে পড়েন। রাজিব বন্দুকসহ পালিয়ে যায় আর ঘটনার জন্য অত্যন্ত লজ্জিত বলে জানিয়ে সোবান, পঙ্কজ ও অর্জুন কীটনাশক পান করেন।
রাহুল ও সুমিত গ্রামে ফিরে গিয়ে ঘটনার কথা সবাইকে জানান।
গ্রামবাসীরা ওই তিন বন্ধুকে বেলেশ্বর কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে সেখানে পঙ্কজ ও অর্জুনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোবানের মৃত্যু হয়।
সাত বন্ধুর সবার বয়স ১৮ থেকে ২২ বছরের মধ্যে।
টেরির জেলা হাকিম ইভা আশিশ শ্রীবাস্তভা জানিয়েছেন, সবার ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং ঘটনাটি সব দিক থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।