রুশ সংবাদ সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
ওই প্রতিবেদনে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘‘মিয়ানমারের বর্তমান কর্তৃপক্ষকে হুমকি এবং চাপ দেওয়া, এমনকি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে সেটা নিরর্থক এবং খুবই বিপদজনক হবে।
‘‘সত্যি বলতে, এভাবে সব পক্ষকে একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিলে শেষ পর্যন্ত মিয়ানমারের জনগণকে একটি পূর্ণ মাত্রার গৃহযুদ্ধের দিকেই ঠেলে দেওয়া হবে।”
গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে মিয়ানমারের ক্ষমতার দখল নেয় দেশটির সেনাবাহিনী। সেনাঅভ্যুত্থান রক্তপাতহীন ভাবে হলেও তারপর থেকে দেশটির রাজপথে রক্ত ঝরেই যাচ্ছে।
সেনাঅভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে টানা বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখন পর্যন্ত ৫৬৪ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।
রাজপথে মিয়ানমারের সাধারণ মানুষের এভাবে প্রাণহানি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ক্রেমলিন।
মিয়ানমারের চলমান সংকটে জান্তাবাহিনীর পক্ষ নিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার উপ প্রতিরক্ষামন্ত্রী গত মাসে দেশটির রাজধানী নেপিডো সফরে গিয়ে জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।