পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, বুধবার পরিষদের ভার্চুয়াল সভায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেবলুৎ সাবুসোলুর কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন মোমেন।
এবারের সম্মেলন থেকে তুরস্কের কাছ থেকে আগামী দুই বছরের জন্য জোটের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে ৫ এপ্রিল থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ডি-৮ এর দশম সম্মেলন আয়োজন করেছে বাংলাদেশ।
আয়োজনের সমাপনী দিনে বৃহস্পতিবার সম্মেলনে শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ডি-৮ দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা।
বাংলাদেশের সঙ্গে বর্তমানে জোটের সদস্য মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের সভাপতিত্বে বুধবার কাউন্সিল অব মিনিস্টার্সের ১৯তম সভায় ডি-৮ ভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বক্তব্য দেন।
সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, বাংলাদেশ ১৯৯৯-২০০১ মেয়াদে সফলভাবে ডি-৮ এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। দুই দশক পর দ্বিতীয়বারের মতো ডি-৮ এর সভাপতির দায়িত্ব নেবে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, “জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ এলডিসি গ্রুপ থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে পূরণ করেছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে ডি-৮ এর সভাপতিত্ব লাভ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত আনন্দের”।
বৈঠকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব সমাজকে সহায়তা করতে ডি-৮ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “যেহেতু ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী প্রয়োজন, সেহেতু এ সম্ভাবনাময় তরুণ সমাজকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে খাপ খাইয়ে নেয়া এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে তাদেরকে সহায়তার লক্ষ্যে ডি-৮ উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।”
২০২২ সালের প্রথমার্ধে কাউন্সিল অব মিনিস্টার্সের পরবর্তী সভা আয়োজনের বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন নতুন সভাপতি মোমেন।
আরও পড়ুন
ডি-৮ শীর্ষ নেতারা বসছেন বৃহস্পতিবার