বৃহস্পতিবার
নিহতের মা হালিমা বেগম বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলাটি দায়ের করেন বলে ভাঙ্গা এসআই আবুল
কালাম আজাদ জানান।
মামলায়
ভাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এমদাদুল হক বাচ্চুসহ
৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা পাঁচ-সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার
রাত ৮টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া বাসস্ট্যান্ডে ইতালী প্রবাসী মাসুদ রানাকে
কুপিয়ে হত্যা করে একদল লোক।
মাসুদ রানা
ভাঙ্গা পৌরসভার গজারিয়া মহল্লার হারুন অর রশিদের ছেলে।
এলাকাবাসীর
বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মাসুদ রানা ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া বাসস্ট্যান্ডে
নান্নু শেখের চায়ের দোকানে বেঞ্চে বসে গল্প করছিলেন। এ সময় ২০-২৫ জন লোক এসে তাকে লাঠি
দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে শুরু করে।
এক পর্যায়ে
মাসুদ রানা দৌড়ে পাশে মুদি দোকানে ঢুকলে হামলাকারীরা সেখানে গিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম
করে তাকে। পরে এলাকাবাসী রক্তাক্ত অবস্থায় মাসুদ রানাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মামলার
তদন্ত ভাঙ্গা থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, সাবেক কাউন্সিলর এমদাদুল হক বাচ্চুকে
প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গজারিয়া গ্রামের জয়নাল
শেখকে (৩৫) বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই
ব্যাপারে এমদাদুল হকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করে বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে,
বৃহস্পতিবার বিকালে ভাঙ্গা পৌর সদরের নওপাড়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মাসুদের কবর
জিয়ারত করে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন শোকার্ত পরিবারকে
সান্ত্বনা দেন।