ঘটনার
একদিন পর রোববার তাড়াশ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থীর বাবা উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ইউএনও
মেজবাউল করিম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া
হবে।
ছাত্রীর
বাবা অভিযোগ করেন, তার মেয়ে প্রাইভেট না পড়ায় অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর
করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আলী হাসান। ওই সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করা হয়।
মারধরের কারণে মেয়ের বাম হাতের কব্জির উপরের হাড় ভেঙে গেছে।
”এ
ঘটনায় বিচার চেয়ে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি”, বলেন তিনি।
তবে ‘প্রাইভেট
না পড়ার কারণে’ ডেকে নিয়ে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন মো. আলী আহসান।
তিনি
বলেন, ”টিফিনের পর ওই ছাত্রী মোবাইল ফোনে কথা বলায় ডেকে নিয়ে তার মোবাইল ফোনটি
জব্দ করি। মোবাইল ফোন জব্দ করায় আমাকে সে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
”অন্য
ছাত্রীদের কাছে বিষয়টি শুনে তাকে অফিসে ডেকে নিয়ে পর্দায় ঝুলানো স্টিলের পাইপ দিয়ে
বেত্রাঘাত করেছি। ওই সময় হাত ভাঙার মতো কিছুই ঘটেনি।”