ঘরের মাঠে রোববার রাতের ম্যাচে আধিপত্য
করা ইউভেন্তুস ২২টি শট নিয়ে পাঁচটি লক্ষ্যে রাখতে পারে। কিন্তু সাফল্য পায়নি তারা।
সেখানে কোণঠাসা হয়ে থাকা ইন্টার বিতর্কিত এক পেনাল্টি পেয়ে সেটা কাজে লাগিয়ে জিতে যায়
১-০ ব্যবধানে।
বিরতির আগে ডেনজেল ডামফ্রিস ডি-বক্সে ফাউলের
শিকার হওয়ার ওই ঘটনায় পেনাল্টি দেওয়ায় প্রবল প্রতিবাদ জানায় ইউভেন্তুস। তাদের দাবি
ছিল, অল্পতেই পড়ে গেছে প্রতিপক্ষ। সে অভিযোগ অবশ্য ধোপে টেকেনি।
হাকান কালহানোগ্লুর প্রথমবারের স্পট কিক
গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে ঠেকালে ফিরতি বল আদ্রিওঁ রাবিও বুটে লেগে জালে জড়ায়। তবে স্পট কিক
নেওয়ার আগে খেলোয়াড়রা বক্সে ঢুকে পড়ায় বাতিল হয় সেটা। দ্বিতীয়বারে আর কোনো ভুল করেননি
তুরস্কের মিডফিল্ডার কালহানোগ্লু। পুরো ম্যাচে ওই একটি শটই লক্ষ্যে ছিল তাদের।
গত নভেম্বরে আতালান্তার বিপক্ষে হেরে পয়েন্ট
টেবিলে আট নম্বরে নেমে গিয়েছিল ইউভেন্তুস। এরপর থেকে তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। টানা
১৬ ম্যাচের অজেয় যাত্রায় পয়েন্ট তালিকায় উঠে আসে সেরা চারে।
দলের এমন পারফরম্যান্সেও যেন শিরোপা জয়ের
বিশ্বাস পাচ্ছিলেন না আল্লেগ্রি। তাইতো গত ফেব্রুয়ারিতে বলেছিলেন, “মানুষ চাইলে শিরোপা স্বপ্ন দেখতে
পারে, কিন্তু আমি দেখব না।”
ইন্টারের বিপক্ষে হারের পর ডিএজেডএন’কে তিনি এবার বলেই দিলেন, শিরোপার আশা শেষ তাদের।
“এখন থেকে আমরা
বলতে পারি, ইউভেন্তুস নিশ্চিতভাবে সেরি আর শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে গেছে। চতুর্থ স্থানে
থাকতে এখন আমাদের যতটা সম্ভব পয়েন্ট যোগ করতে হবে। তারপর পরের বছরের লিগ চ্যাম্পিয়ন
হতে ভালো শুরুর জন্য প্রস্তুত হতে হবে।”
“(মৌসুমে) আমাদের
শুরুটা ছিল বাজে। পরে আমরা অনেক পয়েন্ট নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু (শিরোপা) নির্ধারক
ম্যাচগুলোয় ফলাফল আমাদের পক্ষে আসেনি।”
সেরি আয় চার মাস পর প্রথম হারের তেতো স্বাদ
পাওয়া ইউভেন্তুস ৩১ ম্যাচে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে। এক ম্যাচ কম খেলা ইন্টার
৬৩ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে।
৩০ ম্যাচে ২০ জয় ও ৬ ড্রয়ে শীর্ষে থাকা
এসি মিলানের পয়েন্ট ৬৬। এক ম্যাচ বেশি খেলা নাপোলি সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে।