এখন
অবৈধ সম্পদের এক মামলায় জামিন হলেই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক এই সভাপতির কারামুক্তিতে
আর কোনো বাধা থাকবে না বলে তার আইনজীবীর ভাষ্য।
ঢাকার
সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখার সোমবার রমনা থানার মাদক আইনের মামলায়
সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেন।
সম্রাটের
পক্ষে জামিন শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এহেসানুল হক সমাজী। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক
প্রসিকউটর মাহবুবুর রহমান জামিনের বিরোধিতা করেন।
পরে
সমাজী বলেন, “সম্রাটের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত চারটি মামলা হয়েছে। গতকাল অস্ত্র ও অর্থপাচার
মামলায় জামিন হয়েছে। আজ মাদক মামলাতেও পেলেন। আর একটি মামলা আছে দুদকের।
“ওই
মামলায় জামিন পেলে তিনি কারামুক্ত হতে পারবেন। আশা করছি, শিগগিরই জামিন নিয়ে তিনি কারামুক্ত
হবেন।”
২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র্যাবের অভিযানে
অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে আত্মগোপনে চলে যান ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট।
এরপর ৭ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল
হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। সেদিন বিকালে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভূইয়া
ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।
অবৈধ সম্পদ: সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল
অবৈধ সম্পদ: সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৩১ মার্চ
প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অভিযান শেষে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ১১৬০টি ইয়াবা,
১৯ বোতল বিদেশি মদ, দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া এবং ‘নির্যাতন করার’ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম
পাওয়ার কথা জানানো হয় র্যাবের পক্ষ থেকে।
ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ার কারণে সম্রাটকে তাৎক্ষণিকভাবে বন্যপ্রাণী
(সংরক্ষণ) আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঢাকার রমনা থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ
ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে।
রমনা থানার অস্ত্র মামলায় ওই বছর ৬ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
দেয় পুলিশ। এরপর ১২ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করে দুদক।
অর্থ পাচারের মামলাটি হয় ২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর। আর ৯ ডিসেম্বর মাদক
মামলা সম্রাট ও সহযোগী আরমানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে র্যাব।