প্রিমিয়ার লিগের
এপ্রিল মাসের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বৃহস্পতিবার রোনালদোর নাম ঘোষণা করা হয়। চলতি মৌসুমে
দ্বিতীয়বারের মতো এই পুরস্কার পেলেন তিনি। সব মিলিয়ে ছয়বার। এর আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেরও
এপ্রিলের সেরা হয়েছিলেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা।
প্রিমিয়ার লিগে রোনালদো
বাকি চারবার এই পুরস্কার জেতেন ইউনাইটেডে নিজের প্রথম অধ্যায়ে। ২০০৬ সালে নভেম্বর ও
ডিসেম্বরের সেরা হওয়ার পর ২০০৭-০৮ মৌসুমে জানুয়ারি ও মার্চের সেরা হন তিনি।
এবার জিতে স্টিভেন
জেরার্ডের পাশে বসেছেন রোনালদো। সের্হিও আগুয়েরো ও হ্যারি কেইন কেবল এই পুরস্কার তাদের
চেয়ে বেশি জিতেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে
এপ্রিল মাসে বড় এক ধাক্কা হজম করতে হয়েছে রোনালদোকে। সদ্যোজাত যমজ সন্তানের মধ্যে ছেলেকে
হারান তিনি। সেই কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে মাঠে ফেরার ম্যাচে আর্সেনালের বিপক্ষে গোল করেন
তিনি। যেটি ছিল প্রিমিয়ার লিগে তার শততম গোল।
কোনো শিরোপা ছাড়াই
চলতি মৌসুম শেষ করতে যাচ্ছে ইউনাইটেড। লিগে আর একটি ম্যাচ বাকি তাদের। ৩৭ ম্যাচে ৫৮
পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে তারা। এপ্রিলে একের পর এক ব্যর্থতায় তারা ছিটকে গেছে সেরা
চারে থাকার লড়াই থেকে।
এর মধ্যেও নিজের
মতো করে চেষ্টা করে গেছেন রোনালদো। পাঁচ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ফরোয়ার্ড চার ম্যাচে করেন
৫ গোল।
গত ২৮ এপ্রিল চেলসির
বিপক্ষে রোনালদোর গোলেই ১-১ ড্র করে ইউনাইটেড। এর ১২দিন আগে রোনালদোর হ্যাটট্রিকে নরিচ
সিটিকে হারায় তারা ৩-২ গোলে।
রোনালদোর অন্য গোলটি
ছিল আর্সেনালের বিপক্ষে। তবে সেই ম্যাচ ৩-১ ব্যবধানে হারে ইউনাইটেড।
রোনালদোর এই পাঁচটি
গোলই ছিল নন-পেনাল্টি গোল। প্রিমিয়ার লিগে এপ্রিল জুড়ে আর কেউ যা করতে পারেননি।
মৌসুম জুড়েই অবশ্য
রোনালদো ইউনাইটেডের জন্য কতটা উপযোগী এই আলোচনা ছিল। এমনকি নতুন মৌসুমে ইউনাইটেডের
দায়িত্ব নিতে যাওয়া এরি টেন হাগের পরিকল্পনায় তিনি থাকবেন কি-না, এই আলোচনাও চলমান
রয়েছে।
এপ্রিলে রোনালদোর
পারফরম্যান্স অবশ্য বলছে নতুন কোচের জন্যও বড় সম্পদ হতে পারেন তিনি। ইউনাইটেডের অন্তর্বর্তীকালীন
কোচ রালফ রাংনিকও বলেছেন এ কথা।