বৃহস্পতিবার ভিত্তি স্থাপন অনুষ্ঠানে সংসদ ভবন থেকে ভার্চুয়ালি
যুক্ত হয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন বলেন, “হাইটেক পার্ক স্থাপন হলে এই এলাকার ছেলেমেয়েরা
অনলাইনে কাজ করে দেশের আর্থ-সামাজিক পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন আনতে পারবে। হাইটেক
পার্ক বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে রংপুরে কর্মসংস্থান হবে প্রায় পাঁচ হাজার তরুণ-তরুণীর।
“হাইটেক পার্ক প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পায়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান
এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শিল্পের উত্তরণ ও বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।”
রংপুরের খলিশাকুড়িতে বাংলাদেশ হাইটেক পার্কের অধীন জেলা পর্যায়ে আইটি/হাইটেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ‘ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাইটেক পার্ক’ হচ্ছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে স্পিকার বলেন, “ধনী-গরিব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে প্রযুক্তি বিভেদমুক্ত দেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে জাতি এগিয়ে চলেছে।
“ডিজিটাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”
অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাইটেক পার্ক রংপুরের তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থানের ঠিকানা। এই পার্ক বাংলাদেশকে শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞান- নির্ভর, উন্নত অর্থনীতির স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”
লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।
রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম ছায়াদত হোসেন বকুল, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিউর রহমান শফিক, লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হুমায়ুন কবীর, রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান ও রংপুরের পুলিশ কমিশনার আবদুল আলীম মাহমুদ অনুষ্ঠানে
বক্তৃতা করেন।