ক্যাটাগরি

ফুলছড়িতে সাংবাদিককে পিটিয়ে রক্তাক্ত, পুলিশ সদস্যের শাস্তি দাবি

সোমবার দুপুরে ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে বলে সাংবাদিকদের অভিযোগ।

ঘটনার সময় সাংবাদিক শাকিল আহমেদ অনুষ্ঠানের ভিডিও ধারণ করছিলেন বলে জানান।

শাকিল আহমেদ বলেন, দুপুরে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপি আয়োজিত দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা চলছিল।

“এ সময় ফুলছড়ি থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্য সেখানে গিয়ে লাঠিপেটা শুরু করে। আমি তখন ভিডিও ধারণ করি। এ কারণে কর্তব্যরত এএসআই আতাউল গণি তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে আমার উপর লাঠিচার্জ করেন।”

ফুলছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল হক জানান, এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ফুলছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকসহ এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা এএসআই আতাউল গণির শাস্তি ও অপসারণের দাবিতে তাৎক্ষণিক উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে প্রেসক্লাব চত্বরে এক সমাবেশ আনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য দেন ফুলছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম যাদু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ, কোষাধ্যক্ষ এটিএম রাকিবুর রহমান সুমন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জামিরুল ইসলাম সম্রাট ও উদাখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রফিক।

বক্তারা পুলিশ সদস্য আতাউল গণির শাস্তি ও অপসারণ দাবি করেন। তা নাহলে পরবর্তীতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুশিয়ারী দেন।

ফুলছড়ি থানার ওসি কাওছার আলী বলেন, “সড়ক অবরোধ করে বিএনপি অনুষ্ঠান করছিল। এ সময় পুলিশ সড়ক থেকে তাদের সরাতে গেলে অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনা ঘটে।”

গাইবান্ধা পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।