কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০১৯-২০
অর্থবছরের জন্য এই লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছে।
আগামী ১৩ মার্চ সাধারণ সভায় এবারের লভ্যাংশের অনুমোদন নিতে
হবে। সেজন্য রেকর্ড ডেট ঠিক হয়েছে ১৯ জানুয়ারি।
সেখানে অনুমোদন পেলে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে
বিনিয়োগকারীরা ১২ টাকা করে পাবেন।
এ খবরে যমুনা অয়েলের শেয়ারের দাম বেড়েছে। ঢাকার পুঁজিবাজারে
সোমবার এ শেয়ার ১৬৫ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছিল, মঙ্গলবার বিক্রি হচ্ছে ১৬৬ টাকায়।
৩০ জুন শেষ হওয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে যমুনা অয়েল লিমিটেড প্রতি
শেয়ারে মুনাফা করেছে ১৮ টাকা ১৩ পয়সা। আর তাদের শেয়ার প্রতি সম্পদের পরিমাণ
দাঁড়িয়েছে ১৬১ টাকা ৪০ পয়সায়।
২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির শেয়ার
বর্তমানে লেনদেন হচ্ছে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে।
যমুনা অয়েল ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মুনাফা করেছিল ২২৪ কোটি ২৬ লাখ
টাকা, লভ্যাংশ দিয়েছিল শেয়ার প্রতি ১১ টাকা ।
২০১৭-১৮ অর্থবছরে মুনাফা করেছিল ২৮১ কোটি ৭ লাখ টাকা।
লভ্যাংশ দিয়েছিল শেয়ার প্রতি ১৩ টাকা ।
আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মুনাফা করেছিল ২৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
লভ্যাংশ দিয়েছিল শেয়ার প্রতি ১৩ টাকা।
পুঁজিবাজারে এ কোম্পানির ১১ কোটি ৪ লাখ ২৪ হাজার ৬০০টি
শেয়ার আছে। এর মধ্যে ৬০ দশমিক শূণ্য ৮ শতাংশ আছে সরকারের হাতে।
এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ
বিদেশিদের হাতে ১ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১১ দশমিক ৫৪
শতাংশ শেয়ার আছে।
যমুনা অয়েলের বাজার মূলধন ১ হাজার ৮৩১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।
কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১১০ কোটি ৪২ লাখ টাকা; রিজার্ভের পরিমাণ ১ হাজার ৭৭৩
কোটি ২৯ লাখ টাকা।
২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের মুনাফার তথ্যও প্রকাশ করেছে
যমুনা অয়েল।
জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে প্রতি মুনাফা তারা ৪ টাকা ৭
পয়সা মুনাফা করেছে। আগের বছর এই সময় শেয়ার প্রতি মুনাফা ছিল ৪ টাকা ৫৮ পয়সা।
এই সময় তাদের শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৭৪ টাকা ৫৩
পয়সা।