তবে হাসপাতালগুলোর
জরুরি বিভাগ ও আন্তঃবিভাগে চিকিৎসা সেবা
অব্যাহত রয়েছে। বর্হিবিভাগে সেবা নিতে আসা রোগিদের হাসপাতাল থেকে টিকিট নিয়ে জরুরি বিভাগ থেকে চিকিৎসা
নিতে দেখা গেছে;
এতে জরুরি বিভাগে ভিড় বেড়েছে রোগীদের।
এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর জামালপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ
নিয়ে তার স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত সাতজন আহত হন।
নেত্রকোণার সিভিল সার্জন
মো. সেলিম মিয়া জানান, ধর্মঘটের কারণে
জেলায় চিকিৎসা সেবায় তেমন কোন প্রভাব পড়েনি। নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল ও নয়টি উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা থেকে কোন রোগি যাতে বঞ্চিত না হন সেই
ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বর্হিবিভাগে
আগত রোগীদের জরুরি বিভাগে
চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জেলা বিএমএ সাধারণ
সম্পাদক ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসান কবীর বলেন,
“চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জেলায়
চিকিৎসকদের কর্মসূচি চলবে। কোন চিকিৎসক প্রাইভেট চেম্বারেও
রোগী দেখছেন না।”