সীমান্তরক্ষা বাহিনীর
চোখ ফাঁকি দিয়ে করিমগঞ্জ জেলার বালিয়ায় ওই সুড়ঙ্গ পথে ‘অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় ও পাচার’
চালানো হচ্ছিল বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে পত্রিকাটি।
করিমগঞ্জের পুলিশ সুপার
ময়ঙ্ককুমার ঝার বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানিয়েছে, শুক্রবার এই সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়ার
পর তাৎক্ষণিকভাবে এর ভারতীয় অংশের মুখ বন্ধ করতে বিএসএফকে বলা হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে
আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করছে পুলিশ।
তবে ওই সুড়ঙ্গের বিষয়ে
বাংলাদেশের স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা কিছু জানাতে পারেননি।
আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে
বলা হয়, গত রোববার করিমগঞ্জের নিলামবাজার থানার শিলুয়া গ্রামের বাসিন্দা দিলোয়ার হোসেন
অপহৃত হন। পরে তার বাড়িতে ফোন করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। ‘ওই ফোন নম্বর
বাংলাদেশের দেখে’ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন দিলোয়ারের স্বজনরা।
এরপর মুক্তিপণের অর্থ
কমানোর জন্য দর কষাকষির করে কাজ না হওয়ায় পাঁচ লাখ টাকাতেই রফা হয়। তখন অপহরণকারীদের
পক্ষ থেকে পাশের নয়াগ্রামের এলিমুদ্দিনের কাছে টাকা পৌঁছে দিতে বলা হয়।
পরে বুধবার এলিমকে
গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় শুরু হয় জোর তল্লাশি। এ অবস্থায় অপহরণকারীরা
দিলোয়ারকে ছেড়ে দিলে তিনি ফিরে পুলিশকে ওই সুড়ঙ্গের কথা বলেন।
শুক্রবার পুলিশ সুপার
ময়ঙ্ককুমার ঝাসহ অন্যরা গিয়ে জঙ্গলঘেরা এলাকায় প্রায় ২০০ মিটার দীর্ঘ ওই সুড়ঙ্গের সন্ধান
পান।
আনন্দবাজার লিখেছে,
বাইরে থেকে বিষয়টি কল্পনা করাও কঠিন। মনে হয়, সাধারণ এক গর্তমাত্র। বাংলাদেশ প্রান্তেও
সুড়ঙ্গ মুখের একই চেহারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে
জকিগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আব্দুন নাসের বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এ ধরনের
কোনো সুড়ঙ্গের খবর তাদের জানা নেই।