সদর ও কাশিয়ানী উপজেলার ওইসব স্থানে সোমবার ও মঙ্গলবার এই উচ্ছেদ অভিযান চালায় গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগ।
গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদ হোসেন জানান, সোমবার কাশিয়ানীর শিবগাতী বাসস্ট্যান্ড থেকে এই অভিযান শুরু হয়। পরে পোনা বাসস্ট্যান্ড, ভাটিয়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড ও ঘোনাপাড়া বাজারে অভিযান চালানো হয়।
“পরদিন (মঙ্গলবার) কাশিয়ানীর ফুকরা, সদর উপজেলার গোপীনাথপুর বাসস্ট্যান্ড ও চন্দ্রদিঘলিয়ায় অভিযান চালানো হয়।”
জাহিদ হোসেন আরও বলেন, প্রভাবশালীরা মহাসড়কের পাশের জায়গা দখল করে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হোটেল রেস্টুরেন্ট করেছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে হাট-বাজার গড়ে উঠেছে। এতে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার কারণে গ্রাণহানি, যানবাহন ও মালামালের ক্ষতি হচ্ছে।
“সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে মুজিববর্ষে আমরা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি।”
আগামী ২০/২৫ দিন মধ্যে ঢাকা-খুলনা মহাসড়েকের গোপালগঞ্জের বেদগ্রাম ও ঘোনাপাড়ায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে তিনি জানান।
উচ্ছেদ অভিযানে গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদ হোসেন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শাকিরুল ইসলাম, স্টেট অ্যান্ড ল অফিসার অনিন্দিতা রায়, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাসেল শিকদার, মো. শাহিনুর রহমান, সার্ভেয়ার মো. শিবলী সাদিক, শামীম আহম্মেদ, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।