ক্যাটাগরি

বাম জোটের ইসি ঘেরাওয়ে পুলিশের বাধা

বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করতে গিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে সামনে পুলিশের বাধা পেয়ে সেখানেই সমাবেশে তারা এ অভিযোগ করেন।

জোটের সমন্বয়ক ও সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল্লাহ ক্বাফি রতন বলেন, “হুদা কমিশন দিনের ভোট রাতে আয়োজন করে, ভোট ডাকাতির নির্বাচন আয়োজন করে এই (আওয়ামী লীগ) সরকারকে আবারও ক্ষমতায় এনেছে। জাতীয় নির্বাচনকে কলঙ্কিত করে নির্বাচন কমিশন এখনও লজ্জ্বাহীন ভাবে তাদের পদ আঁকড়ে ধরে বসে আছে। এই নির্বাচন কমিশন তাদের পদে থাকার সমস্ত অধিকার হারিয়েছে। তাদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।”

গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থসংশ্লিষ্ট গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ তুলে এর তদন্ত করতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছেন ৪২ জন নাগরিক।

ওই প্রসঙ্গ টেনে ক্বাফি বলেন, “আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে আহ্বান জানাই, আপনি আপনার সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে এই নির্বাচন কমিশনের ভোট ডাকাতি আর তাদের দুর্নীতির তদন্ত করুন।”

ইউনাইটেড কমিউনিষ্ট লীগের কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা খালেকুজ্জামান লিপন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য আকবর খান, সিপিবির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহসান হাবিব লাবলুও সমাবেশে বক্তব্য দেন।

আহসান হাবিব লাবলু অভিযোগ করেন, “এই নির্বাচন কমিশন এখন আর রাষ্ট্রের অধীনে নাই, তারা কতিপয় গুণ্ডাপাণ্ডাদের অধীনে চলে গেছে। তাদের ধরিয়ে দেওয়া তালিকা দেখেই নির্বাচন কমিশন বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করছে।”

‘ভোট ডাকাতির নির্বাচনে’ বাম জোট কেন অংশ নিয়েছিল তার ব্যাখ্যায় লাবলু বলেন, “বামপন্থিরা নির্বাচনে কেন অংশ নিয়েছিল.. এট আপনারা আমাদের দুর্বলতা ভাববেন না। গণতন্ত্রের পথ যেন অবরুদ্ধ হয়ে না যায়, সেজন্য আমরা জনগণকে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম।”

বাম নেতা নজরুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচন কমিশন ভেবেছে, তারা আজীবন ক্ষমতায় থাকতে পারবে। কিন্তু তা নয়। জনগণ গলায় গামছা দিয়ে তাদের রাজপথে নামিয়ে নিয়ে আসবে।”