রাজধানী বেইজিংকে ঘিরে থাকা হেবেই প্রদেশে নতুন সংক্রমণ বৃদ্ধিতে এমনটি হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে তারা।
পৃথকভাবে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের নতুন সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় হেইলংজিয়াং প্রদেশের একটি কাউন্টি সোমবার থেকে লকডাউনে চলে গেছে।
এক বিবৃতিতে জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (এনএইচসি) জানিয়েছে, ১০ জানুয়ারি নতুন করে ৮৫ জনের দেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, এদের মধ্যে ৮২ জন হেবেই প্রদেশের, দুই জন লিয়াওনিং প্রদেশের ও একজন বেইজিংয়ের বাসিন্দা।
দেশটিতে এদিন বিদেশ থেকে ফেরা ১৮ জনের মধ্যেও সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে এনএইচসি জানিয়েছে।
এতে রোববার সবমিলিয়ে ১০৩ জনের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়; ৩০ জুলাই ১২৭ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর থেকে একদিনে এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এসব নতুন সংক্রমণের সংখ্যা গত বছরের প্রথমদিকে চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকাকালে দৈনিক আক্রান্তের তুলনায় অত্যন্ত কম হলেও রোগের বিস্তার ঠেকাতে ও দেশব্যাপী সংক্রমণের নতুন ঢেউ রোধ করতে দেশটির কর্তৃপক্ষগুলো আগ্রাসী পদক্ষেপ নিয়েছে।
হেবেইয়ের রাজধানী ও নতুন প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল শেচিয়াচুয়াংয়ে লকডাউন জারি করা হয়েছে। নগরীর গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং লোকজন ও গাড়ির শহর ত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
হেইলংজিয়াংয়ের সুইহুয়া শহরের অধীনস্ত ওয়াংকুই কাউন্টিতে কোভিড-১৯ এর উপসর্গহীন আট জন বাহক শনাক্ত হওয়ার পর সোমবার জরুরি নয় এমন সব ধরনের ব্যবসা ও গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়ে লোকজনের শহর ছাড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
কাউন্টিটির প্রতি পরিবারের একজন তিন দিনে একবার বাড়ির বাইরে গিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে আনতে পারবে বলে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
চীনের মূলভূখন্ডে নিশ্চিত কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৮৭ হাজার ৫৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে আর মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত অবস্থায় চার হাজার ৬৩৪ জনেই রয়ে গেছে।