সোমবার
দুপুরে
উত্তর
হালিশহরে
তার
স্মরণে সভা করে আওয়ামী লীগ। পরে প্রয়াত নেতার কবরে ফুল
দিয়ে
শ্রদ্ধা
জানান
আওয়ামী
লীগ
ও
সহযোগী
সংগঠনের
নেতারা।
সভায়
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর
সদস্য
ইঞ্জিনিয়ার
মোশাররফ
হোসেন
বলেন,
“স্বাধীনতার
প্রশ্নে
এম
এ
আজিজ
ছিলেন
এক
দফার
প্রবক্তা।
সেই
এক
দফাই
আমাদের
আজকের
স্বাধীন
বাংলাদেশ।
এখন
বাংলাদেশ
রক্ষায়
একই
রকম এক দফা হলো
জঙ্গীবাদ
ও
যুদ্ধাপরাধী
মুক্ত
বাংলাদেশ
প্রতিষ্ঠা।
“এতেই এম এ
আজিজ
এবং
স্বাধীনতার
জন্য
আত্মত্যাগকারী
৩০
লক্ষ
বাঙালির
স্বপ্নপূরণ
সম্ভব
হবে।”
স্বাধীনতা
রক্ষার
জন্য
সবাইকে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কারণ
বাংলাদেশ
এখনও
নিরাপদ
নয়।
একজন
খালেদা
জিয়া
স্বাধীনতাবিরোধীদের
নেতৃত্ব
দিচ্ছেন।”
নগর
আওয়ামী
লীগের
ভারপ্রাপ্ত
সভাপতি
মাহতাব
উদ্দিন
চৌধুরী
সভায়
বলেন, “এম এ আজিজ
৬
দফাকে
এক
দফায়
পরিণত
করার
প্রধান
উদ্যোক্তা।
তিনি
বাঙালির
আশা
জাগানিয়া
শক্তির
প্রেরণা
হয়ে
চিরঞ্জীব
হয়ে
থাকবেন।”
নগর
আওয়ামী
লীগের
সাধারণ
সম্পাদক
ও
সাবেক
সিটি
মেয়র
আ
জ
ম
নাছির
উদ্দীন
বলেন,
“এম এ আজিজ
মহান
মুক্তিযুদ্ধের
অন্যতম
রূপকার।
বঙ্গবন্ধু
৬
দফা
ঘোষণার
পর
তিনি
উপলব্ধি
করেন
যে এক
দফায়ই
বাংলার
মুক্তি।”
নগর
আওয়ামী
লীগের
যুগ্ম
সাধারণ
সম্পাদক
ও
আসন্ন
সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী এম
রেজাউল
করিম
চৌধুরী
বলেন,
“এম এ আজিজ
এ
দেশে
মাটি
ও
মানুষের
স্বরাজ
প্রতিষ্ঠার
আদর্শিক
বাতিঘর।
“আজিজ-জহুর
(জহুর
হোসেন চৌধুরী) আমাদের অহংকার। এ
দুজনের
পথ
ধরেই
ত্যাগ
তিতিক্ষার
ব্রত
নিয়ে
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনার
উন্নয়নের
অগ্রযাত্রাকে
এগিয়ে
নিতে
হবে।”
আগামী
২৭ জানুয়ারি
অনুষ্ঠেয়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকায় ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে
স্বাধীনতাবিরোধীদের
বয়কটের
আহ্বান জানান তিনি।
আ
জ ম নাছির বলেন, “জঙ্গিবাদের সাথে
যাদের
সামান্য
সম্পর্কও
আছে
তাদের
চিহ্নিত
করে
রাষ্ট্রীয়
ও
সামাজিকভাবে
বয়কট
করতে
হবে।
“আসন্ন
সিটি
নির্বাচন
নিয়ে
কোনো
একটি
দল
ঘোলা
পানিতে
মাছ
শিকার
করতে
চায়।
তাহারা
জনগণের
কাছে
না
গিয়ে
তার
এখন
নির্বাচন
কমিশনের
কাছে
প্রতিনিয়ত
বিচার
দিচ্ছেন।”
নগর
আওয়ামী
লীগের
প্রচার
ও
প্রকাশনা
সম্পাদক
শফিকুল
ইসলাম
ফারুকের
সঞ্চালনায়
আলোচনা
সভায়
বক্তব্য
রাখেন
চট্টগ্রাম
জেলা
পরিষদের
চেয়ারম্যান
ও
উত্তর
জেলা
আওয়ামী
লীগের
সভাপতি
এম
এ
ছালাম,
সাধারণ
সম্পাদক
শেখ
আতাউর
রহমান,
নগর
কমিটির
সহ-সভাপতি
নঈম
উদ্দিন
চৌধুরী,
ইব্রাহিম
হোসেন
চৌধুরী
বাবুল
ও
আলতাফ
হোসেন
চৌধুরী
বাচ্চু,
উপদেষ্টা
শফর
আলী,
সাংগঠনিক
সম্পাদক
নোমান
আল
মাহমুদ
ও
শফিক
আদনান,
সম্পাদকমন্ডলীর
সদস্য
হাজী
জহুর
আহমদ,
কাউন্সিলর
প্রার্থী
মোহাম্মদ
হোসেন,
যুবলীগের
কেন্দ্রীয়
যুব
সাধারণ
সম্পাদক
বদিউল
আলম
বদি,
এম
এ
আজিজের
সন্তান
সাইফু্দ্দিন
খালেদ
বাহার,
আবদুল
লতিফ
টিপু,
হালিশহর
থানা
আওয়ামী
লীগের
যুগ্ম
আহ্বায়ক
রেজাউল
করিম
কায়সার,
কাউন্সিলর
প্রার্থী
আবদুল
মান্নান
প্রমুখ।