ঢাকার মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী মঙ্গলবার
এ বিষয়ে আদেশের জন্য এই তারিখ ঠিক করে দেন বলে এ আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিপন মিয়া জানান।
কাজী আনিসুর রহমান নামে হাতিরপুলের
ভুতেরগলির এক বাসিন্দা এবং মো. সারওয়ার আলম নামের এক আইনজীবী
সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার আবেদন দুটি করেন।
ফুলবাড়িয়া
মার্কেটে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবিতে
গত গত ৯ জানুয়ারি ঢাকায় কদম ফোয়ারার সামনে এক মানববন্ধনে সাঈদ খোকন মেয়র ফজলে নূর তাপসকে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে
‘মানহানি’ হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলার আর্জিতে।
সেই
মানববন্ধনে সংহতি জানাতে এসে সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, “তাপস দক্ষিণ সিটি
করপোরেশনের শত শত কোটি টাকা তার নিজ মালিকানাধীন ব্যাংকে স্থানান্তর করেছেন এবং এই
শত শত কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করার মাধ্যমে কোটি কোটি
টাকা লাভ হিসেবে গ্রহণ করছেন। অন্যদিকে অর্থের অভাবে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের গরিব
কর্মচারীরা মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন
প্রকল্প অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।”
‘এ
ধরনের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে’ তাপস সিটি করপোরেশন আইনের ৯(২)(জ) অনুচ্ছেদ
অনুযায়ী মেয়র পদে থাকার ‘যোগ্যতা হারিয়েছেন’ বলেও মন্তব্য করেন সাঈদ খোকন।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মেয়র তাপস সোমবার সাংবাদিকদের
বলেন, “আমি লক্ষ্য করেছি, তিনি মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। যেহেতু মানহানিকর বক্তব্য
দিয়েছেন, সুতরাং আইনি ব্যবস্থা নেব।”
দুর্নীতির অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই দাবি করে তাপস বলেন, গত
১৭ মে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আসছেন। সেই অভিযান
এখনও চলছে।
“সেখান
গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে মার্কেট সংক্রান্ত দুর্নীতির কিছু তথ্য বের হয়ে এসেছে।
সেখানে যে টাকা লেনদেন হয়েছে, তা বের হয়ে এসেছে। যাদের সঙ্গে টাকা লেনদেন হয়েছে,
যারা এর সঙ্গে জড়িত তারাই এখন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে।”
সাবেক
মেয়রের দিকে ইংগিত করে বর্তমান মেয়র বলেন, “আমি কোনো অভিযোগ আনি নাই। এখানে যারা
অবৈধভাবে দোকান দখল করেছে, টাকা লেনদেন করেছে… এখন তিনি পুরো দোষ আমার উপরে
চাপাচ্ছেন। এটা অনভিপ্রেত এবং শুধু আক্রোশের বশবর্তী হয়ে।”
আরও খবর-
সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে দুই মামলার আর্জি
‘মানহানিকর বক্তব্যে’ আইনি ব্যবস্থা নেবেন মেয়র তাপস