ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর সিআইডি, ঢাকা মেট্রো পশ্চিমের
একটি দল শাহজাহানপুর থেকে আব্দুল আলীম (৪৫) এবং কবির আহম্মেদকে (৫২) গ্রেপ্তার করে।
সিআইডির (ঢাকা মহানগর) অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক শেখ ওমর ফারুক মঙ্গলবার
এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, একটি আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্রের বাংলাদেশি সদস্যরা
বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কথা বলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক সংগ্রহ করছে। এই চক্রের
মূলহোতা পর্তুগালে অবস্থান করে ভুয়া কাগজপত্র পাঠায়।
“চক্রটি জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর অনুমোদন ছাড়া চাকরির
ভিসায় চেক রিপাবলিকসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কথা বলে লোকজনকে প্রথমে ভারতে
নিয়ে যায়। তারপর তাদের পাসপোর্ট, ডলার ও রুপি নিয়ে যায়।
“চক্রের ভারতীয় সদস্যরা ভিসা ইন্টারভিউয়ের বিভিন্ন তারিখের কথা বলে তাদেরকে
ঘোরাতে থাকে। ভুক্তভোগীরা প্রতারিত হচ্ছেন বুঝতে পেরে চেক রিপাবলিক দূতাবাসে যাযোযোগ
করে যখন জানতে পারেন কোনো ভিসা দেওয়া হচ্ছে না, তখন তারা দেশে ফিরে আসেন।”
গ্রেপ্তার দুই প্রতারক
এই চক্রটি একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানায় সিআইডি।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে শাহজাহানপুর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে
মামলা হয়েছে।
দুই প্রতারক গ্রেপ্তার
সমবায় সমিতির নামে নিম্ন আয়ের মানুষের টাকা আত্মসাৎ করা দুই প্রতারককে
গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
গ্রেপ্তাররা হলেন সাইফুল ইসলাম (৩৩) এবং শাহ আজীজুর রহমান শাকিল (৩১)।
বিভিন্নজনের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে সিআইডি, ঢাকা মেট্রো পশ্চিমের একটি দল
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির (ঢাকা মহানগর) অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক
শেখ ওমর ফারুক বলেন, রূপগঞ্জ এলাকায় ‘রুপসী বাংলা শ্রমজীবি সমবায় সমিতি লিঃ’ নামে
সমিতি চালু করে প্রতারকরা নিম্ন আয়ের লোকজনকে বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে বিপুল টাকা
আত্মসাৎ করেছে।
“চক্রটি মানষের বিশ্বস্ততা অর্জন করার জন্য প্রথমে কয়েকজনকে মুনাফাও দিয়েছে।
পরবর্তীতে আমানত সংগ্রহের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেলে তা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে পলাতক
ছিল।”
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।