ক্যাটাগরি

চীনে ২০২০ সালের মার্চের পর ‘সবচেয়ে মারাত্মক’ প্রাদুর্ভাব

দেশটির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় একটি প্রদেশে মঙ্গলবার রেকর্ড রোগী শনাক্ত হয়েছে বলেও এক প্রতিবেদেন জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এমন এক সময়ে চীনে এ বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের দেখা মিলেছে যখন বৈশ্বিক মহামারী পর্যালোচনা করা স্বাধীন একটি সংস্থা প্রথম দিককার প্রাদুর্ভাবের লাগাম টেনে ধরতে চীন আরও জোরাল পদক্ষেপ নিতে পারতো বলে মন্তব্য করেছে।

এর প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার চীনের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় প্রকাশিত ট্যাবলয়েড গ্লোবাল টাইমস কোভিড-১৯ মোকাবেলায় নিজেদের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলোর পক্ষে সাফাই গেয়েছে।

তারা বলেছে, সম্পূর্ণ নতুন একটি ভাইরাস মোকাবেলায় বিশ্বের কোনো দেশেরই অভিজ্ঞতা থাকে না।

“পেছনে ফিরে তাকালে, কোনো দেশই নতুন একটি ভাইরাসের মোকাবেলায় সবকিছু নিখুঁতভাবে করতে পারে না। একই ধরনের মহামারী ফের এলে কোনো ভুল না করার নিশ্চয়তা কোনো দেশই দিতে পারবে না,” বলেছে তারা।

মঙ্গলবার টানা ৭ম দিনের মতো চীন শতাধিক নতুন কোভিড-১৯ রোগী পেয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

এদিন চীনের মূল ভূখণ্ডে ১১৮ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয় বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। আগের দিন এ সংখ্যা ছিল ১০৯।   

মঙ্গলবার শনাক্তদের মধ্যে ১০৬ জনই স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছে। উত্তরপূর্ব প্রদেশ জিলিনে শনাক্ত হয়েছে রেকর্ড ৪৩ জন রোগী; বেইজিংয়ের কাছের হেবেই প্রদেশে মিলেছে ৩৫ জন।

চীনের রাজধানীতে একজনের দেহে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে; উত্তরে হেইলংজিয়ানে রোগী মিলেছে আরও ২৭ জন।

সরকারি হিসেবে চীনের মূল ভূখণ্ডে এখন পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৪৫৪; প্রাণ গেছে ৪ হাজার ৬৩৫ জনের।