মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)
লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ার ৪৬ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়।
আইপিওতে এনার্জিপ্যাকের শেয়ার ৩১ টাকায়
বিক্রি হয়। সে হিসেবে প্রথম দিনে বিনিয়োগকারীরা ৫০ শতাংশ বেশি দামে তা বিক্রি করতে
পেরেছেন।
এই দিনে ৫ বারে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার
জেনারেশন লিমিটেডের মোট ৮০৫ টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে, টাকার অংকে যার দাম ৩৭ হাজার ৪৩৩
টাকা।
তালিকাভুক্তির পর প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের
লেনদেনে এখন নতুন কোম্পানির শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশই বাড়তে পারে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটি
‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হয়। লেনদেনের কোড ‘EPGL’। কোম্পানি কোড ১৫৩২২।
সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এনার্জিপ্যাকের
শেয়ারটি ৩১ টাকায় পেয়েছিল। যেসব বিনিয়োগকারী লটারিতে জিতেছেন, তারা প্রত্যেকে ২০০টি
করে শেয়ার পেয়েছেন।
গত বছেরের ৭ অগাস্ট ১৫০ কোটি টাকা তোলার
প্রাথমিক অনুমোদন পায় এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড।
চূড়ান্ত অনুমোদনের পর বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে
পুঁজিবাজারে আসতে চাওয়া এনার্জিপ্যাকের নিলাম হয়। তার মাধ্যমে এনার্জিপ্যাকের শেয়ারের
দাম ঠিক হয়েছে।
গত বছরের ২১ অক্টোবর চুড়ান্ত অনুমোদনের
পর ৭ থেকে ১৩ ডিসেম্বর এনার্জিপ্যাকের আইপিও পেতে আবেদন করেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
এর পরে চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি লটারি
হয়।সেই শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও তে যোগ হয় রোববার।
এনার্জিপ্যাক ৪ কোটি ২ লাখ ৯৩ হাজার
৫৬৬টি সাধারণ শেয়ার পুঁজিবাজারে ছেড়েছে।
এই শেয়ারের মধ্যে ২ কোটি ১৪ লাখ ৬৭ হাজার
৭৬৬টি শেয়ার পায় প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। বাকি ২ কোটি ১৪ লাখ ৬ হাজার ৮০০টি শেয়ার
পায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ
করে এনার্জিপ্যাক মূলত এলপিজি প্রকল্পের ব্যবসা সম্প্রসারণ করবে; ব্যাংক ঋণ পরিশোধেও
কিছু অর্থ ব্যয় করবে।
২০১৯ সালের ৩০ জুনের আর্থিক প্রতিবেদন
অনুযায়ী, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশনের শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য ৩০ টাকা ২০ পয়সা এবং
শেয়ারপ্রতি মুনাফা ৩ টাকা ১৩ পয়সা।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে কোম্পানিটি মুনাফা
করে ৪৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। তার আগের দুই বছরে মুনাফা ছিল যথাক্রমে ৪৫ ও ৩০ কোটি টাকা।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশনের আইপিওর
ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লংকা বাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।